b Sanatan Dharma - সনাতন ধর্ম: পুরাণ-ইতিহাস

https://a-ads.com/

ব্রেকিং নিউজ

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন । আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন। বিজ্ঞপ্তি: জরুরী সংবাদকর্মী নিয়োগ চলিতেছে…। আপনি কি কম খরচে Website, Bloggersite, Youtube channel, E-commica site তৈরি করতে চান? যোগাযোগ করুন বিস্তারিত : মোবাইল: 01712475454,01940103713 , দেশ - বিদেশের খবর সবার আগে জানতে সাথে থাকুন।আমাদের সংঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ এ রকম আরও ভিডিও/ সর্বশেষ সংবাদ Update News পেতে আমাদের Website /Youtube Channel পেইজে লাইক দিন৷ ❤️ ✌ ✔️ কোন মতামত বা প্রশ্ন থাকলে কমোন্ট করে জানান।
Showing posts with label পুরাণ-ইতিহাস. Show all posts
Showing posts with label পুরাণ-ইতিহাস. Show all posts

Thursday, September 9, 2021

শ্রী শ্রী গণেশের ১০৮ নাম জপ করুন ভগবান গণেশের এই ১০৮ নাম Ganesha Chaturthi 2021

 

জপ করুন ভগবান গণেশের এই ১০৮ নাম Ganesha Chaturthi 2021

।। গণেশের আত্মনাম প্রকাশ ।।
‘গণেশ’ আমার নাম রাখেন পাবক । ১
‘গণাধিপ’ নাম মোর দিলেন ত্র্যম্বক ।। ২
‘গণ’ নাম রাখে মোর যত সিদ্ধগণ । ৩
‘গণাগ্রহী’ নাম দেন নমুচিসূদন ।। ৪
‘গণাধ্যক্ষ’ নাম মোর রাখে তুরাসাহ । ৫
‘গণেশ্বর’ মোর নাম দেন গন্ধবাহ ।। ৬
‘গণনাথ’ নাম দেয় ভ্রাতা কার্ত্তিকেয় ।

‘গণদেবেশ্বর’ নাম দেন রৌহিনেয় ।। ৮
‘গণচলবাসী’ নাম দিলেন ভাস্কর । ৯
‘গণনায়ক’ নাম মোরে দেন ক্ষপাকর ।। ১০
‘গণরাজ’ নাম দিয়াছেন বিরূপাক্ষ । ১১
‘গণকর্ত্তা’ নাম মম দেন সহস্রাক্ষ ।। ১২
‘গণপতি’ নামে ডাকেন পিতা স্মরহর । ১৩
‘গজানন’ নাম মোরে দেন দামোদর ।। ১৪
‘গৌরীসুত’ নাম মোর দিয়েছেন তারা ।
১৫
‘গজকর্ণ’ নাম মোর দিলেন অঙ্গিরা ।। ১৬
‘গজবক্ত্র’ নাম মোরে দানিলেন মনু । ১৭
‘বিনায়কেশ-পুত্র’ নাম রাখিলেন ভানু ।।
১৮
‘গুহাগ্রজ’ নাম মম দেন সুরপতি । ১৯
‘সুরাগ্রজ’ নাম মোর দেন বৃহস্পতি ।। ২০
‘উমাপুত্র’ নাম মোর দেন মেনারানী । ২১
‘বিঘ্ন-বিনাশন’ নাম দেন অব্জযোনি ।।
২২
‘বিঘ্নরাজ’ নাম রাখেন বৃহতিসূদন । ২৩
‘বিঘ্নকর্ত্তা’ নাম দেন রুক্মিণী- রমণ ।।
২৪
‘বিঘ্নহারী’ নাম মোরে দেন ত্রিপুরারি
। ২৫
‘বিঘ্ন-বিনাযক’ নাম দেন শম্বরারি ।। ২৬
‘বিঘ্নসিদ্ধি’ নাম মোরে দেন
কংসারাতি । ২৭
‘বিঘ্নেশ’ আমার নাম দেন প্রজাপতি ।।
২৮
‘বিঘ্ন-বিনাশক’ নাম দেয় খগেশ্বর । ২৯
‘বিঘ্নহর্ত্তা’ নাম মোরে দেন নগেশ্বর ।।
৩০
‘পার্বতীপ্রিয় নন্দন’ নাম দেন মাতামহী
। ৩১
‘হরসূনু’ নাম মোর রাখিলেন মহী ।। ৩২
‘হেরম্ব’ আমার নাম দিলেন ইন্দিরা । ৩৩
‘স্থূলকর্ণ’ নাম মোরে দেন চারুধারা ।। ৩৪
‘দেবদেবেশ’ নাম মোরে দিয়াছেন জিষ্ণু
। ৩৫
‘স্কন্দাগ্রজ’ নাম মোরে দানিলেন বিষ্ণু
।। ৩৬
‘মহাকায়’ নাম মোরে দেন কাত্যায়ন । ৩৭
‘প্রিয়ঙ্কর’ নাম মোর রাখে নারায়ন ।।
৩৮
‘কাম-অরিসূনু’ নাম রাখেন হারীত । ৩৯
‘রুদ্রপ্রিয়’ নাম মোরে দিলেন লিখিত ।।
৪০
‘সুমুখ’ আমার নাম রাখেন সম্বর্ত্ত । ৪১
‘সর্বেশ্বর’ নাম রাখেন সকল অমর্ত্ত ।। ৪২
‘সুলেখক’ নাম মোরে দিয়াছেন ব্যাস ।
৪৩
‘ভারত-লেখক’ নাম দিয়াছে কৈলাস ।। ৪৪
‘ভালচন্দ্র’ নাম মোরে দিয়াছে উষনা ।
৪৫
‘অভীষ্টদায়ক’ নাম দেন দেবসেনা ।। ৪৬
‘চন্দ্রমৌলি’ নাম মোরে দিয়াছে
দম্ভোলি । ৪৭
‘মূষিকবাহন’ নাম দিয়াছে মাতলি ।। ৪৮
‘বজ্রতুন্ড’ নাম মোরে দেন বজ্রাশনি । ৪৯
‘সদাদান’ নাম মোর দেন বীনাপাণি ।। ৫০
‘পাশহস্ত’ নাম দেন ইন্দ্রায়ূধ শম্ব । ৫১
‘শুভদাতা’ নাম মোর দেন আপস্তম্ব ।। ৫২
‘ত্রিলোচন’ নাম মোরে দিয়াছেন অত্রি
। ৫৩
‘চতুর্ভুজ’ নাম দেন মাতা জগদ্ধাত্রী ।। ৫৪
‘একদন্ত’ নাম মোর রাখে ঐরাবত । ৫৫
‘বিকট’ আমার নাম রাখেন মরুত ।। ৫৬
‘সিদ্ধি’ নাম রাখে মোর মহর্ষি গৌতম ।
৫৭
‘সিদ্ধিসেনাগ্রজ’ নাম রাখে ঋষি যম ।।
৫৮
‘সিদ্ধিদাতা’ নাম মোর রাখে বিষ্ণুরথ ।
৫৯
‘সিদ্ধি-বিনায়ক’ নাম রাখে শাতাতপ্ ।।
৬০
‘সিদ্ধযোগী’ মোর নাম রাখে বাচস্পতি ।
৬১
‘সিদ্ধসাধক’ নাম মোর রাখে পশুপতি ।।
৬২
‘সিদ্ধিরূপ’ নাম মোরে দেন সুরজ্যেষ্ঠ ।
৬৩
‘সিদ্ধদেব-সূনু’ নাম রাখে গ্রহশ্রেষ্ঠ ।। ৬৪
‘যজ্ঞসিদ্ধি’ মোর নাম রাখিলেন ক্রতু ।
৬৫
‘মন্ত্রসিদ্ধি’ নাম মোরে দানে শতক্রতু ।।
৬৬
‘যোগসিদ্ধি’ নাম মোরে দানেন কপিল ।
৬৭
‘জপসিদ্ধি’ নাম রাখে বসু যে অনিল ।।
৬৮
‘দাণসিদ্ধি’ নাম দেন দৈত্যরাজ বলি। ৬৯
‘কর্মসিদ্ধি’ নাম মোর রেখেছেন শূলী ।।
৭০
‘কামসিদ্ধি’ নাম রাখে দত্তাত্রেয় ঋষি
। ৭১
‘তপঃসিদ্ধি’ রাখে নাম শান্ডিল্য-
মহর্ষি ।। ৭২
‘সর্বসিদ্ধিদাতা’ নাম রাখেন দেবর্ষি ।
৭৩‘
সর্বজ্ঞ’ দানেন নাম জনক রাজর্ষি ।। ৭৪
‘স্বস্তিদঃ’ আমার নাম রাখিলেন দক্ষ ।
৭৫
‘ঋদ্ধিদঃ’ আমার নাম দানেন ঋভুক্ষ ।। ৭৬
‘ঋতজ্ঞান’ নাম মোর দানেন বিরিঞ্চি ।

Read More: Life history of Prophet Muhammad | হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনী, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সংক্ষিপ্ত জীবনী 

৭৭
‘ঋতধাম’ নাম মোর দিলেন মরীচি ।। ৭৮
‘ঋতম্ভরা’ মোর নাম দেন পাতঞ্জল । ৭৯
‘ঋতম্’ দিলেন নাম সপ্তর্ষি মণ্ডল ।। ৮০
‘সত্যম্’ আমার নাম রাখেন পুলহ । ৮১
‘গুনাতীতম্’ নাম মোরে দেন পিতামহ ।।
৮২
‘পুরুষম্’ আমার নাম দিলেন পুল্যস্ত । ৮৩
‘কৃষ্ণপিঙ্গলম্’ নাম মোরে দানেন অগস্ত্য
।। ৮৪
‘শুদ্ধাত্মা’ আমার নাম দিলেন কর্দম । ৮৫
‘মহামৃত্যুসূত’ নাম দিলেন যম ।। ৮৬
‘ভক্তবত্সল’ নাম মোর রাখিল ইন্দ্রানী ।
৮৭
‘সর্বভীষ্টপ্রদ’ নাম রাখেন রোহিনী ।।
৮৮
‘শৈলসুতাসুত’ নাম দেন হিমালয় । ৮৯
‘ভক্তের পরমগতি’ নাম দেন মৃত্যুঞ্জয় ।।
৯০
‘দ্বিরদানন্’ নাম মোরে দেন খগেশ্বর । ৯১
‘সর্বশুভঙ্কর’ নাম দানেন শঙ্কর ।। ৯২
‘বিনায়ক’ নাম মোরে দেন বিনায়িকা ।
৯৩
‘দ্বৈমাতুর’ নাম মোরে দিলেন চন্ডীকা
।। ৯৪
‘বরেণ্য’ আমারে নাম দিলেন ভার্গব । ৯৫
‘ভর্গ’ এই নাম মোরে দিয়াছেন ধ্রুব ।। ৯৬
‘অক্ষর’ আমার নাম দিয়াছে অর্য্যমা ।
৯৭
‘নিত্যমুক্তস্বভাব’ নাম দিয়াছেন রমা ।।
৯৮
‘ব্রহ্মবর্চস্’ নাম দেন ব্রহ্মর্ষি বশিষ্ঠ ।
৯৯
‘ব্রহ্মভূয়’ নাম মোর দেন সুরজ্যেষ্ঠ ।। ১০০
‘ব্রহ্মযোগ’ নাম মোরে দেন বিশ্বামিত্র
। ১০১
‘সুব্রহ্মণ্যাগ্রজ’ মোর নাম রাখে মিত্র ।।
১০২
‘প্রণবস্বরূপ’ আমি হই সনাতন । ১০৩
‘অদ্বৈতস্বরূপ’ আমি জগত্কারণ ।। ১০৪
‘অন্তর্যামীস্বরূপ’ আমি হই ‘ব্রহ্মরূপ’ ।
১০৫/১০৬
‘জ্যোতির্জ্যোতিস্বয়ংজ্যোতি’
‘পূর্ণব্রহ্মরূপ’ ।। ১০৭/১০৮
ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডটকম (Dailynewstimesbd.com)এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন করুন।

Friday, July 23, 2021

আমার হাতে কালি মুখে কালি, কাজী নজরুল ইসলাম, Amar Hate kali Mukhe kali | Nazrul Song

 আমার হাতে কালি মুখে কালি

আমার হাতে কালি মুখে কালি | কাজী নজরুল ইসলাম | Amar Hate kali Mukhe kali | Nazrul শ্যামা সংগীত



আমার হাতে কালি মুখে কালি,
মা আমার কালিমাখা মুখ দেখে মা পাড়ার লোকে হাসে খালি।।
মোরলেখাপড়া হ’ল না মা,
আমি ‘ম’ দেখিতেই দেখি শ্যামা,
আমি ‘ক’ দেখতেই কালী ব’লে নাচি দিয়ে করতালি।।
কালো আঁক দেখে মা ধারাপাতের ধারা নামে আঁখি পাতে,
আমারবর্ণ পরিচয় হ’লো না মা তোর বর্ণ বিনা কালী।
যা লিখিস মা বনের পাতায় সাগর জলে আকাশ খাতায়,
আমি সে লেখা তো পড়তে পারি মূর্খ বলে দিক্‌ না গালি মা,
লোকে মূর্খ ব’লে দিক্‌ না গালি।।


আমার হাতে কালি মুখে কালি, স্বরলিপি কাজী নজরুল ইসলাম কবিতা সমগ্র কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা আবৃত্তি বাংলাদেশ, কবিতা কাজী নজরুল ইসলাম নজরুলের বাংলাদেশ কবিতা কবিতা আবৃত্তি, কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত কবিতা, আনন্দময়ীর আগমনে কবিতার মূলভাব,আমার হাতে কালি মুখে কালি,amar hate kali mukhe kali,আমার হাতে,amar hate,কালি মুখে কালি,kali mukhe kali,shreya,nazrul song,channel i,bangla gaan,better song,music song,music video,popular song,music gaan,nazrul sangeet,video song,nazrul geeti,video gaan,nazruler gaan,desi song,bangla song,old song,bangla music,চ্যানেল আই,নজরুল সঙ্গীত,নজরুল গীতি,পুরাতন গান,জনপ্রিয় গান,ভিডিও গান,দেশীয় গান,মিউজিক গান,বাংলা গান,বাংলা বেস্ট গান,শ্রেয়া


Friday, July 16, 2021

সনাতন অর্থ চিরন্তন বা চিরসত্য

সনাতন অর্থ চিরন্তন বা চিরসত্য


 শূন্যস্থান পূরণ  অংশ-৩

প্রিয় পরীক্ষার্থী, হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার ২ নম্বর প্রশ্নটি থাকে ‘শূন্যস্থান পূরণ’ এর ওপর।
অধ্যায়-৩
১. হিন্দু শব্দের উৎপত্তি — দ্বারা।
উত্তর: পারসিকদের।
২. বর্তমান ইরানের প্রাচীন নাম —।
উত্তর: পারস্য।
৩. হিন্দুস্থানের অধিবাসীদের নাম —।
উত্তর: হিন্দু।
৪. হিন্দুধর্মের প্রাচীন নাম — ধর্ম।
উত্তর: সনাতন।
৫. ‘সনাতন’ শব্দের অর্থ —।
উত্তর: চিরন্তন।
৬. যা ছিল, আছে ও থাকবে—তাই —।
উত্তর: সনাতন।
৭. হিন্দুধর্মকে — ধর্মও বলা হয়।
উত্তর: বৈদিক।
৮. বেদের প্রত্যেক অংশকে বলা হয় —।
উত্তর: কাণ্ড।
৯. বৈদিক যুগের পরে আসে — যুগ।
উত্তর: পৌরাণিক।
১০. ধর্মচর্চার একটি অঙ্গ —।
উত্তর: নিত্যকর্ম।
Source of: Prothom alo

#সনাতনধর্মমতেমানবজীবনেরলক্ষ্য , #সনাতনধর্মঅর্থকি, #সনাতনঅর্থকি, #সনাতনধর্মকাকেবলে, #সনাতনশব্দেরবাংলাঅর্থ, #সনাতনধর্মকি, #সনাতনধর্মশব্দেরঅর্থকি, #সনাতনধর্মেরপ্রধানধর্মগ্রন্থেরনামকি,

Wednesday, July 14, 2021

সনাতন ধর্মের পাপ থেকে মুক্তির উপায়

 

সনাতন ধর্মের পাপ থেকে মুক্তির উপায়

১১ নভেম্বর ১৯৭৩ দিল্লিতে প্রদত্ত শ্রীমদ্ভাগবত (১/২/৫-৬) নং শ্লোকের প্রদত্ত প্রবচন

জীবনের দুর্বিষহতা কমাতে আর আনন্দ উপভোগ বাড়াতেই মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম

কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও আচার্য
প্রদত্ত ভাষণের বঙ্গানুবাদ


স বৈ পুংসা পরো ধর্মো যতো ভক্তিরধোক্ষজে।
অহৈতুক্যপ্রতিহতা যয়াত্মা সুপ্রসীদতি ॥

যয়াত্মা সুপ্রসীদতি। প্রত্যেকেই সুখের সন্ধানে ছুটে চলছে। আত্যন্তিক দুঃখনিবৃত্তিঃ। জীবনের দুর্বিষহতা কমাতে আর আনন্দ উপভোগ বাড়াতেই মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। আমরা জীবাত্মা, সকলেই শ্রীভগবানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মমৈবাংশো জীবভূতঃ। সমস্ত জীবমাত্রই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অবিচ্ছেদ্য অংশ বিশেষ। যখন আমরা শ্রীকৃষ্ণের কথা বলি, তখন ভগবানকেই বুঝি।

Wednesday, July 7, 2021

শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ধ্যান মন্ত্রঃ-

শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী

তিনি লোকনাথ বাবা নামেও পরিচিত। বাবা লোকনাথ শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন জন্মাষ্টমীতে ১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ আগস্ট (১৮ ভাদ্র, ১১৩৭ বঙ্গাব্দ) কলকাতা থেকে কিছু দূরে ২৪ পরগণার কচুয়া গ্রামে একটি ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম রামনারায়ণ ঘোষাল এবং মাতা কমলাদেবী। তিনি ছিলেন তার বাবা-মায়ের ৪র্থ পুত্র। 


Monday, June 28, 2021

Mother Teresa Early Life মাদার টেরেসার জীবনী Mother Teresa Biography in Bengali



গরীব-আর্ত ও সর্বহারাদের সেবায় যিনি নিজেকে শেষ দিন পর্যন্ত নিয়োজিত করেছিলেন সেই অ্যাগনিস গঞ্জা বোজাঝিউকে সকলে স্বয়ং ঈশ্বরের দূত মনে করতেন | যাদের সমাজে কোনো স্থান ছিলোনা,তাদের সযত্নে নিজের কোলে আশ্রয় দিয়েছিলেন আলবেনিয়া থেকে ভারতে আসা এই মহিয়সী নারী |

Sunday, May 30, 2021

সালমানকে ‘নিকাহ” করতে ধর্ম নাম সবই ছেড়েছিল হিন্দু যুবতী, ৪ মাস পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

 

সালমানকে ‘নিকাহ” করতে ধর্ম নাম সবই ছেড়েছিল হিন্দু যুবতী, ৪ মাস পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

নয়া দিল্লীঃ তেলেঙ্গানার কমররেড্ডি জেলায় মুসলিম প্রেমিককে নিকাহ করার জন্য ইসলাম কবুল করা হিন্দু যুবতী আত্মহত্যা করেছে। কয়েকমাস আগেই তাঁর নিকাহ হয়েছিল মুসলিম বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে। নিউজ ১৮ তেলেগু অনুযায়ী, সালমান নামের মুসলিম যুবকের সঙ্গে বিয়ে করার জন্য শ্রবন্তী নামের হিন্দু যুবতী ধর্ম পালটে নিজের নাম শেখ সমীরা করে। এরপর গত ২৪ মে শেখ সমীরার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর ঘরেই।

যুবতীর পরিজনেরা গোটা ঘটনার পিছনে সালমান আর তাঁর পরিবারের হাত আছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। শ্রবন্তীর পরিজনেরা বলেন, সালমান আর তাঁর চাচা এবং চাচি তাঁদের মেয়ের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত আর তাঁদের গ্রেফতার করা উচিৎ। দেবুনিপল্লী পুলিশ মামলা দায়ের করেছে আর তদন্ত চালাচ্ছে।কমররেড্ডি জেলার ইন্দিরা নগরের বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী শ্রবন্তী ৭ জানুয়ারি ২০২১-এ সালমানের সঙ্গে নিকাহ করে। এই নিকাহর জন্য শ্রবন্তী নিজের ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম কবুল করে নিজের নাম শেখ সমীরা রাখে।

২৪ মে নিজের ঘরেই শ্রবন্তীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। শ্রবন্তীর দেহ দেখে তাঁর পরিজনেরা বলেন যে, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁদের অভিযোগ, সালমানরা তাঁদের মেয়েকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। শ্রবন্তীর পরিবার সালমানের পরিবারের বিরুদ্ধে শ্রবন্তীকে মানসিক আর শারীরিক দিক থেকে অত্যাচার করার জন্য করা শাস্তির আবেদন জানিয়েছে।

আগামী ২৫ বছরে বাংলাদেশে হিন্দু না থাকার সম্ভবনা বেশি, বলছে আমেরিকার সংস্থা সিডিপিএইচআর


কয়েক বছর ধরে, বাংলাদেশ এবং ভারত একে অপরের নিকটবর্তী হয়েছে, শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী মোদীর যুগে, যদিও বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। দেশটি দ্রুত ইসলামপন্থীদের দ্বারা পূর্ণ হয়ে উঠছে, যাদের অন্যান্য বিশ্বাসের প্রতি সহিষ্ণুতা নেই। এখন, শীর্ষস্থানীয় থিঙ্ক ট্যাঙ্কের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, যদি বর্তমান নিপীড়ন অব্যাহত থাকে, তবে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের হিন্দুদের অস্তিত্ব থাকবে না।

 সমতা, ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকারের পক্ষে কাজ করে এমন একটি সংস্থা সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি, বহুবচনবাদ ও মানবাধিকার সংস্থা (সিডিপিএইচআর) এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের হিন্দুদের পরিস্থিতি এতই শোচনীয় হয়ে উঠেছে যে এই সম্প্রদায়টির অস্তিত্ব বন্ধ হয়ে যেতে পারে পরবর্তী ২৫ বছর যদি অভূতপূর্ব অত্যাচার থেকে সম্প্রদায়কে রক্ষা করতে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হয়। 

Read More :কোনো মেয়ে অন্য কারো সাথে শা’রী’রিক সম্পর্ক করে কিনা বোঝার উপায়

একদল উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি, আইনজীবি, বিচারক, সাংবাদিক এবং গবেষকরা যে প্রতিবেদন তৈরি করেছেন, যাতে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল বরকতেরও উদ্ধৃতি দিয়েছেন, তাঁর মতে, গত চার দশকে মোট ২.৩ লক্ষ মানুষ বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়েছে। বিষয়গুলিকে দৃষ্টিভঙ্গিতে রাখতে, স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের সময়ে সংখ্যালঘুরা এর জনসংখ্যার ২৩.১ শতাংশ ছিল। ২০১১ সালে ওয়েবেব্যাক পরিচালিত সর্বশেষ আদমশুমারিতে প্রকাশিত হয়েছে যে দেশে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা এখন কমেছে ৯.৬ শতাংশে। বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে, এই ধারণাটি নেওয়া নিরাপদ যে, যদি এখনকার আদমশুমারিটি করতে হয় তবে সংখ্যাটি আরও কমবে। 

সূত্রঃ  bangodesh.com


মুসলিম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু হলেন সুফিয়া বর্তমান নাম (অন্নপূর্ণা দেবী)

 

সুফিয়া গোপনে ৮/৯ বছর ধরে হিন্দু ধর্ম পালন করছিলেন। তারপর হিন্দু ধর্ম গ্রহনের পর সুফিয়া কাজী থেকে নিজের নাম রাখলেন দেবী অন্নপূর্ণা ।     পরিবার ওনার বিয়ে ঠিক করে। বিয়েটা তাদের ধর্মের ছেলের সাথে ঠিক করা হওয়ায় ওনি রাজি হননি। কারণ ওনি সুস্থ মস্তিষ্কে হিন্দুধর্ম বিশ্বাস করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে ৮/৯ বছর চুপিসারে হিন্দু ধর্মের কাজ করে আসছিলেন।  তারপর তার পরিবার কে বুঝিয়ে বলে সব প্রমান দেখান কোথায় কি সম্মান ধর্মিয় গন্হ দেখায় পরে তার পরিবার কে বলে- দরকার হলে মরে যাবো তবুও আমার ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করবো না।তাই ছুটে যেতে চায় দেবী সম্মানের  ভালোবাসার মানুষের কাছে আর হিন্দু ধর্ম বিশ্বাস রক্তে মিশে গেছে তা এ ধর্মের মত নারী সম্মান অন্য কোন ধর্মে নেই । তাই ওনি ভালোবাসার মানুষের সাথে মন্দিরে অগ্নি সাক্ষি করে ৭বার প্রদক্ষিন করে মাথায় সিদুর পড়ে হিন্দু রিতিতে বিয়ে করেন।  সুফিয়া ওরফে (অন্নপূর্ণা দেবী)তার বাবা মা সামনে থেকে নিজের মেয়েকে হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন।  তাদের জিগ্যাসা করা হয়ছে কেন আপনি নিজের মেয়েকে হিন্দুছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন?.  বলেন!  ১/আমার ধর্মে নারী হলো শ্যষ্যক্ষেত্র আর হিন্দু ধর্মে নারী হলো দেবী রুপে সম্মান করে।  ২/আমার ধর্মে যখন তখন তালাক এবং ৩ তালাকের মত কথা আছে। তাই কোন বাবা মা চান না তার মেয়ের সাথে       ৩তালাকের মত জগন্য কিছু গঠুক।  ৪/আমার ধর্মে ধর্মিয় প্রতিষ্ঠানে নারী প্রবেশ নিষেধ কিন্ত হিন্দু ধর্মে নারী পুরুষ এক সাথে মন্দিরে যায় প্রার্থনা করে।  ৫/প্রত্যেক বাবা মা চায় তার মেয়ে সুখে থাকুক ভালো থাকুক দেবী সম্মানে থাকুক তাই আমার মেয়েকে আমি হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছি।


মুসলিম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু হলেন সুফিয়া বর্তমান নাম (অন্নপূর্ণা দেবী)হিন্দু ছেলেকে ভালোবেসে এবং হিন্দু ধর্মকে ভালোবেসে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে দেবী সম্মানে হিন্দু ধর্ম গ্রহন করলেন।

সুফিয়া গোপনে ৮/৯ বছর ধরে হিন্দু ধর্ম পালন করছিলেন। তারপর হিন্দু ধর্ম গ্রহনের পর সুফিয়া কাজী থেকে নিজের নাম রাখলেন দেবী অন্নপূর্ণা ।

পরিবার ওনার বিয়ে ঠিক করে। বিয়েটা তাদের ধর্মের ছেলের সাথে ঠিক করা হওয়ায় ওনি রাজি হননি। কারণ ওনি সুস্থ মস্তিষ্কে হিন্দুধর্ম বিশ্বাস করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে ৮/৯ বছর চুপিসারে হিন্দু ধর্মের কাজ করে আসছিলেন।তারপর তার পরিবার কে বুঝিয়ে বলে সব প্রমান দেখান কোথায় কি সম্মান ধর্মিয় গন্হ দেখায় পরে তার পরিবার কে বলে- দরকার হলে মরে যাবো তবুও আমার ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করবো না।তাই ছুটে যেতে চায় দেবী সম্মানের

ভালোবাসার মানুষের কাছে আর হিন্দু ধর্ম বিশ্বাস রক্তে মিশে গেছে তা এ ধর্মের মত নারী সম্মান অন্য কোন ধর্মে নেই । তাই ওনি ভালোবাসার মানুষের সাথে মন্দিরে অগ্নি সাক্ষি করে ৭বার প্রদক্ষিন করে মাথায় সিদুর পড়ে হিন্দু রিতিতে বিয়ে করেন।

সুফিয়া ওরফে (অন্নপূর্ণা দেবী)তার বাবা মা সামনে থেকে নিজের মেয়েকে হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন।

তাদের জিগ্যাসা করা হয়ছে কেন আপনি নিজের মেয়েকে হিন্দুছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন?.

বলেন!

১/আমার ধর্মে নারী হলো শ্যষ্যক্ষেত্র আর হিন্দু ধর্মে নারী হলো দেবী রুপে সম্মান করে।

২/আমার ধর্মে যখন তখন তালাক এবং ৩ তালাকের মত কথা আছে। তাই কোন বাবা মা চান না তার মেয়ের সাথে       ৩তালাকের মত জগন্য কিছু গঠুক।

৪/আমার ধর্মে ধর্মিয় প্রতিষ্ঠানে নারী প্রবেশ নিষেধ কিন্ত হিন্দু ধর্মে নারী পুরুষ এক সাথে মন্দিরে যায় প্রার্থনা করে।

সুফিয়া গোপনে ৮/৯ বছর ধরে হিন্দু ধর্ম পালন করছিলেন। তারপর হিন্দু ধর্ম গ্রহনের পর সুফিয়া কাজী থেকে নিজের নাম রাখলেন দেবী অন্নপূর্ণা ।     পরিবার ওনার বিয়ে ঠিক করে। বিয়েটা তাদের ধর্মের ছেলের সাথে ঠিক করা হওয়ায় ওনি রাজি হননি। কারণ ওনি সুস্থ মস্তিষ্কে হিন্দুধর্ম বিশ্বাস করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে ৮/৯ বছর চুপিসারে হিন্দু ধর্মের কাজ করে আসছিলেন।  তারপর তার পরিবার কে বুঝিয়ে বলে সব প্রমান দেখান কোথায় কি সম্মান ধর্মিয় গন্হ দেখায় পরে তার পরিবার কে বলে- দরকার হলে মরে যাবো তবুও আমার ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করবো না।তাই ছুটে যেতে চায় দেবী সম্মানের  ভালোবাসার মানুষের কাছে আর হিন্দু ধর্ম বিশ্বাস রক্তে মিশে গেছে তা এ ধর্মের মত নারী সম্মান অন্য কোন ধর্মে নেই । তাই ওনি ভালোবাসার মানুষের সাথে মন্দিরে অগ্নি সাক্ষি করে ৭বার প্রদক্ষিন করে মাথায় সিদুর পড়ে হিন্দু রিতিতে বিয়ে করেন।  সুফিয়া ওরফে (অন্নপূর্ণা দেবী)তার বাবা মা সামনে থেকে নিজের মেয়েকে হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন।  তাদের জিগ্যাসা করা হয়ছে কেন আপনি নিজের মেয়েকে হিন্দুছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন?.  বলেন!  ১/আমার ধর্মে নারী হলো শ্যষ্যক্ষেত্র আর হিন্দু ধর্মে নারী হলো দেবী রুপে সম্মান করে।  ২/আমার ধর্মে যখন তখন তালাক এবং ৩ তালাকের মত কথা আছে। তাই কোন বাবা মা চান না তার মেয়ের সাথে       ৩তালাকের মত জগন্য কিছু গঠুক।  ৪/আমার ধর্মে ধর্মিয় প্রতিষ্ঠানে নারী প্রবেশ নিষেধ কিন্ত হিন্দু ধর্মে নারী পুরুষ এক সাথে মন্দিরে যায় প্রার্থনা করে।  ৫/প্রত্যেক বাবা মা চায় তার মেয়ে সুখে থাকুক ভালো থাকুক দেবী সম্মানে থাকুক তাই আমার মেয়েকে আমি হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছি।

৫/প্রত্যেক বাবা মা চায় তার মেয়ে সুখে থাকুক ভালো থাকুক দেবী সম্মানে থাকুক তাই আমার মেয়েকে আমি হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছি।

Tuesday, April 27, 2021

সৌদির স্কুলে পড়ানো হবে রামায়ণ-মহাভারত সৌদির স্কুলে যে কারণে পড়ানো হবে রামায়ণ-মহাভারত


যুবরাজের ‘ভিশন ২০৩০’-এর অধীনে এবার স্কুলে রামায়ণ-মহাভারত পড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির অংশ হিসেবে অন্যান্য দেশের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি অধ্যয়নের পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটি। সৌদি যুবরাজের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশটির প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ্যসূচিতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বিভিন্ন ধর্মের পাশাপাশি সৌদি আরবের স্কুল পাঠ্যসূচিতে যোগ করা হয়েছে রামায়ণ ও মহাভারতের পরিচয়। সেইসঙ্গে যোগ এবং আয়ুর্বেদ সম্পর্কেও বেশ কিছু বিষয় পড়ানো হবে। হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, ভারতীয় পুরাণের দুই মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারত সৌদির স্কুলে পড়ানোর ফলে ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সেখানকার পড়ুয়ারা অবগত হবে এবং দুই দেশের মধ্যে যে সুসম্পর্ক রয়েছে, তা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। সৌদি আরব ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক আগের তুলনায় উন্নতি করেছে। এবার সেই সুসম্পর্ক কূটনৈতিক স্তর ছাড়িয়ে স্কুলের বইয়ের পাঠ্যক্রমের মধ্যেও জায়গা করে নিল।  




তবে এ নিয়ে খোদ সৌদি বাসিন্দাদের মধে বিরুপ প্রতিক্রিয়া রয়েছে। অনেকে মনে করছেন, অন্যান্য দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি অধ্যয়নের জন্য রামায়ণ এবং মহাভারত ছাড়াও আরো অনেক বিষয়ই আছে যা থেকে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারবে। তবে ভিন্নমত পোষণকারী ভারতীয় অধিবাসী কিংবা হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা মনে করছে, ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি রামায়ণ এবং মহাভারতের মাধ্যমেই বৈশ্বিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবে। ঐতিহ্যগতভাবে রক্ষণশীল ইসলামী দেশ হিসেবেই পরিচিত সৌদি আরব। কিন্তু হাজার হাজার বছরের সেই ঐতিহ্য থেকে ক্রমেই বেরিয়ে আসছে দেশটি। 

 এক্ষেত্রে একেবারে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদির আদি ইসলামী ঐতিহ্যকে ‘কট্টরপন্থা’ আখ্যা দিয়েছেন। বিপরীতে দেশে ‘মধ্যপন্থী ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার কথা বলছেন তিনি। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘মধ্যপন্থা’র নামে তিনি আসলে পশ্চিমা ভাবধারা ও সংস্কৃতিকেই আমদানি করছেন। সমাজ ও সংস্কৃতির ‘আধুনিকায়নে’ ভিশন-২০৩০ ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সেই লক্ষ্যেই ইতিমধ্যে বহু নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে। গাড়ি চালানো, হলে গিয়ে সিনেমা ও মাঠে গিয়ে খেলা দেখা এমনকি অভিভাবক ছাড়াই নারীদের হোটেলে কক্ষ ভাড়া নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। 

 তরুণ সৌদি যুবরাজের সংস্কারমূলক কাজের মধ্যে রয়েছে তেলের ওপর নির্ভরতা থেকে অর্থনীতিকে বের করে আনা, তরুণ নাগরিকদের কর্মসংস্থানে নতুন নতুন খাত তৈরি, নারীর ক্ষমতায়ন ও নাগরিকদের জীবনযাপনের ওপর কড়াকড়ি শিথিলের মতো বিষয়গুলো। এর প্রথম ধাপ হিসেবে গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে নারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় দেশটি।  
 সুত্রঃ যুগান্তর

Saturday, April 24, 2021

জোরপূর্বক ধর্মান্তরের বিরুদ্ধে শর্মিষ্ঠা রায়ের লড়াই এবং বিজয়

জোরপূর্বক ধর্মান্তরের বিরুদ্ধে শর্মিষ্ঠা রায়ের লড়াই এবং বিজয়..... শর্মিষ্ঠা রায় নামে ভিডিওর এই বোনটিকে নানাভাবে ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করেছিলেন আইনজীবী আয়েশা সিদ্দিকী। শর্মিষ্ঠাকে প্রলুব্ধ করার জন্য তথা ব্রেইন ওয়াশের জন্য বই দেওয়া, সরাসরি মুসলিম হয়ে যাওয়ার প্রস্তাব, আয়েশা সিদ্দিকীর খালাত ভাইয়ের সাথে বিয়ের প্রস্তাব, ধর্মান্তরিত হলে কোটি টাকার ফ্ল্যাট উপহার, বিভিন্ন ছবি দেখিয়ে হিন্দু ধর্ম নিয়ে কটুক্তি সমালোচনা এমনকি একপর্যায়ে তাকে আলাদা ফ্ল্যাটে রেখে অন্য পুরুষের সাথে থাকার জন্যও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছিল।

কিন্তু বোন শর্মিষ্ঠা ছিলেন স্বধর্মের প্রতি একনিষ্ঠ শ্রদ্ধাশীল এবং সনাতন ধর্মের সংস্কৃতি এবং অনুশাসন কঠোরভাবে মেনে চলেন, স্বামীর প্রতিও রয়েছে তাঁর আকাশছোঁয়া ভালোবাসা। আর তাই, সমস্ত প্রলোভন আর ভয় ভীতিকে দূরে সরিয়ে উনি বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের সার্বিক সহযোগিতায় ঢাকার রমনা মডেল থানার মাধ্যমে অল্প কিছুক্ষণ আগে উদ্ধার হলেন। তিনি এখন নিরাপদে আছেন। অভিযুক্ত আয়েশা সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বোন শর্মিষ্ঠা রায়ের প্রতি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, সেইসাথে বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ এবং প্রশাসনকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা। নিলয় চক্রবর্তী। ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২১ ইং

Monday, March 1, 2021

শেষমেশ হবু শ্বশুরের সঙ্গে বিয়ে স্বপ্নার


 সবকিছু ঠিক ছিল। সেদিন বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল স্বপ্নার (২১)। বিয়েও হয়েছিল। কিন্তু বরের সঙ্গে নয়, হবু শ্বশুরের সঙ্গে। বিদায়ী বছরের অক্টোবরের দিকে এ ঘটনা ঘটেছিল ভারতের বিহারে। জানা যায়, বর প্রেম করেন অন্য এক মেয়ের সঙ্গে। তাই বিয়ে ঠিক হলেও পরিবারের চাপে বিয়ে করতে এসে প্রেমিকার হাত ধরে পালান। শেষমেশ ঘটনা ঘটলো উল্টোটি।

 মেয়ে তার হবু শ্বশুরকেই বরে মেনে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে রাজি হলো। উড়িষ্যা পোস্টের খবরে বলা হয়, লগ্ন অনুযায়ী বিয়ের দিন রাজ্যের সমস্তিপুর এলাকায় কনের বাড়িতে হাজির হন বরপক্ষ। এমন সময়ে প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে যান বর। এতে বেশ বিপত্তির মুখে পড়ে দুই পক্ষই। 

শেষমেশ নিজের সম্মান বাঁচাতে আজব এক সিদ্ধান্ত নেন কনের বাবা। তিনি মেয়েকে বরের বাবা রোশানের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে রাজিও হন রোশান। এমন পরিস্থিতিতে কোনো পথ খোলা না পেয়ে বিয়েতে রাজি হয়ে যান কনে স্বপ্নাও। ওই দিনেই ৬৫ বছর বয়সী হবু শ্বশুরের সঙ্গে মালাবদল করেন তিনি।

Thursday, March 12, 2020

মৌলভী মেহবুব আলী কিভাবে পন্ডিত মহেন্দ্রপাল আর্য হলেন?

এই গল্প হচ্ছে ভারতের উওর প্রদেশের বাড়ুয়াত নামক কোন অঞ্চলের বাডি মসজিদের একজন বাঙ্গালী ঈমামের যার নাম মৌলভী মেহবুব আলী। এই গল্প কোন গল্প নয় চন্দ্র সুর্যের মতো সত্য ঘটনা।

Tuesday, February 11, 2020

কৃষ্ঞ পূজার নিয়মাবলী



আজ আমরা জানব কী ভাবে কৃষ্ঞ পূজা করা যায় ।আপনি খুব সাধারণ ভাবে কৃষ্ণ ভগবানের পূজা করতে পারেন। প্রথমেই সবাইকে জন্মাষ্টমীর অনেক শুভেচ্ছা জানাই। জন্মাষ্টমীতে শ্রীকৃষ্ণ ভগবানের জন্মদিন আনন্দ উৎসবের সাথে পালন করা হয়।

Saturday, February 8, 2020

ভগবদ্‌গীতা-বিষয়ক ২৫ টি প্রশ্ন ও উত্তর ২৬ টি..

 
*ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই ত্রিজগতে কোনো কর্তব্য নেই, তাঁর কোনো কিছু অপ্রাপ্ত নেই এবং প্রাপ্তব্যও নেই; তবুও তিনি কেন কর্ম করেন?
 উঃ ভগবান কর্ম না করলে তাঁর অনুবর্তী হয়ে সমস্ত মানুষ কর্ম ত্যাগ করবে-- এইভাবে তারা উচ্ছন্নে যাবে। সেজন্য তাদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য ভগবান স্বয়ং কর্ম করে থাকেন।
* মানুষ সব সময় অহংকারবশতঃ সব কার্যের নিজেকে কর্তা বলে মনে করে কিন্তু আসলে সমস্ত কার্য কার প্রভাবে সংঘটিত হয়? 
উঃ জড়া প্রকৃতির ত্রিগুণ দ্বারা সমস্ত কার্য সম্পাদিত হয়। কিন্তু মোহাচ্ছন্ন হয়ে জীব প্রাকৃত অহংকারবশতঃ নিজেকে কর্তা বলে মনে করে। 
* মানুষ কেন অনিচ্ছা সত্ত্বেও পাপাচরণে প্রবৃত্ত হয়?
 উঃ রজোগুণ থেকে কামের উদ্ভব হয় কামনার অতৃপ্তিতে ক্রোধের উৎপত্তি হয় এইভাবে কামই মানুষকে পাপাচরণে প্রবৃত্ত করায়।
* কাম কিভাবে জীবের চেতনাকে বা জ্ঞানকে আবৃত করে রাখে? 
উঃ অগ্নি যেভাবে ধুমের দ্বারা আবৃত থাকে, দর্পণ যেভাবে ময়লার দ্বারা আবৃত থাকে বা গর্ভ যেভাবে জরায়ুর দ্বারা আবৃত থাকে, ঠিক সেভাবে জীবের চেতনা বিভিন্ন মাত্রায় কামের দ্বারা আবৃত থাকে।
* প্রণীদের মধ্যে কামের আশ্রয়স্থল কোথায়?
 উঃ কাম প্রাণীদের মধ্যে তাদের ইন্দ্রিয়সমূহ, মন এবং বুদ্ধিকে আশ্রয় করে থাকে।

* স্থুল জড় পদার্থ থেকে আত্মার শ্রেষ্ঠতা ক্রমান্বয়ে বর্ণনা কর।
উঃ স্থুল জড় পদার্থ বা দেহ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হচ্ছে ইন্দ্রিয়গুলি, ইন্দ্রিয় থেকে শ্রেষ্ঠ মন, মন অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ বুদ্ধি এবং বুদ্ধির অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হচ্ছে আত্মা।

* কামকে কিভাবে জয় করা যায়? উঃ নিজেকে জড় ইন্দ্রিয়, মন এবং বুদ্ধির অতীত আত্মা জেনে চিৎ-শক্তির দ্বারা নিকৃষ্ট বৃত্তিকে সংযত করার দ্বারা কামরূপ দুর্জয় শত্রুকে জয় করা যায়। * ভগবদ্‌গীতার জ্ঞান কিভাবে পরম্পরাক্রমে প্রচলিত ছিল?

 উঃ সৃষ্টির প্রারম্ভে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই জ্ঞান সূর্যদেব বিবস্বানকে দিয়েছিলেন, বিবস্বান মনুকে বলেছিলেন, মনু ইক্ষাকুকে বলেছিলেন-- এইভাবে পরস্পরাক্রমে রাজর্ষিরা এই পরমবিজ্ঞান লাভ করেছিলেন। 



* অর্জুনের মধ্যে কি যোগ্যতা ছিল যার ফলে সে ভগবদ্‌বিজ্ঞানের অতি গুঢ়-রহস্য হৃদয়ঙ্গম করতে পেরেছিলেন?
 উঃ অর্জুনের প্রধান যোগ্যতা হল-- তিনি ছিলেন ভগবানের ভক্ত ও সখা। তাই তিনি এই রহস্যময় বিজ্ঞান হৃদয়ঙ্গম করতে পেরেছিলেন।

 * কিছু বৎসর পূর্বে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছে-- তবে শ্রীকৃষ্ণ কি করে সৃষ্টির প্রারম্ভে সূর্যদেব বিবস্বানকে এই জ্ঞান প্রদান করেছিলেন? 
উঃ লক্ষ লক্ষ বছর পূর্বে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সূর্যদেব বিবস্বানকে ভগবদ্‌গীতা জানান, তখন অর্জুনও কোনো অন্যরূপে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ভগবানের সঙ্গে অর্জুনের পার্থক্য হচ্ছে যে অর্জুন তা ভুলে গেছেন কিন্তু ভগবান ভুলেন নি। 

* ভগবান 'অজ' অর্থাৎ জন্ম-রহিত, তবে তিনি কিভাবে বারংবার জন্ম গ্রহণ করেন?
 উঃ ভগবান তাঁর অন্তরঙ্গা শক্তিকে আশ্রয় করে স্বীয় মায়ার দ্বারা তাঁর আদি চিন্ময়রূপে যুগে যুগে অবতীর্ণ হন। জীব কর্মফল ভোগ করতে বাধ্য হয়ে, নির্দিষ্ট যোনিতে জন্মগ্রহণ করে। কিন্তু ভগবান তাঁর নিজ ইচ্ছায় স্বজ্ঞানে তাঁর চিন্ময়রূপে অবতীর্ণ হন বা আবির্ভূত হন। তাঁর শরীরের সৃষ্টি হয় না বরং তাঁর দিব্য শরীরের এই জগতে আবির্ভাব হয়। 

* ভগবান কখন এই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন? 
উঃ যখন ধর্মের পতন হয় ও অর্ধমের অভুত্থান হয় তখন ভগবান এই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন। 

* ভগবান কেন অবতীর্ণ হন?
 উঃ সাধুদের পরিত্রাণ করবার জন্য, দুস্কৃতদের বিনাশ করবার জন্য এবং ধর্ম সংস্থাপন করবার জন্য ভগবান যুগে যুগে এই ধরাধামে অবতীর্ণ হন। 

* যে মানুষদের জড় কামনা বাসনা আছে তারা তাদের অভীষ্ট সাধনের জন্য কার পূজা করেন? উঃ অতি শীঘ্র ফল লাভ করার জন্য সকাম কর্মে আসক্ত মানুষ বিভিন্ন দেব দেবীর উপাসনা থাকেন।

 * ভগবান কিসের উপর ভিত্তি করে চার প্রকারের বর্ণ সৃষ্টি করেছেন?
 উঃ ভগবান গুণ ও কর্ম অনুসারে মানব সমাজে চারটি বর্ণ বিভাগ সৃষ্টি করেছেন। যারা সত্ত্ব গুণে প্রভাবিত তারা ব্রাক্ষণ, যারা রজোগুণে প্রভাবিত তারা ক্ষত্রিয়, যারা রজো এবং তমোগুণের দ্বারা প্রভাবিত তাঁরা বৈশ্য এবং যারা তমোগুণে বেশী প্রভাবিত তারা শূদ্র।

 * তত্ত্বজ্ঞান লাভের উপায় কি? উঃ তত্ত্বজ্ঞান লাভ করতে হলে তাকে এক তত্ত্বদ্রষ্টা সদ্ গুরুর শরণাপন্ন হতে হবে এবং এই প্রকার তত্ত্বদ্রষ্টা গুরুদেবকে বিনম্রচিত্তে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে এবং অকৃত্রিম সেবায় তাঁকে সন্তুষ্ট করে তাঁর কাছ থেকে তত্ত্বজ্ঞান লাভ করা যায়। 

* যারা শাস্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তাদের কি গতি হয়? শাস্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাহীন ব্যক্তিরই বা কি গতি? 
উঃ শাস্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তি চিন্ময় তত্ত্বজ্ঞান লাভ করেন। সেই দিব্যজ্ঞান লাভ করে তিনি অচিরেই পরাশান্তি প্রাপ্ত হন। কিন্তূ শাস্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাহীন ব্যক্তি সংশয়হেতু ভগবদ্ভক্তি লাভ করতে না পেরে বিনষ্ট হন। এই প্রকার সন্ধিগ্ধচিত্ত ব্যক্তি ইহলোক বা পরলোক কোথাও সুখলাভ করতে পারে না।

* সমস্ত জীবের প্রতি যথার্থ পণ্ডিত ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গি কিরূপ? 
উঃ যথার্থ পণ্ডিত ব্যক্তি বিদ্যাবিনয় সম্পন্ন ব্রহ্মণ, গাভী, হস্তি, কুকুর ও চণ্ডাল সকলের প্রতি সমদর্শী হয়ে থাকেন। 

* বুদ্ধিমান বিবেকী ব্যক্তি জড়সুখের প্রতি আগ্রহী নন কেন? 
উঃ ইন্দ্রিয়ের সঙ্গে বিষয়ের সংযোগজনিত যে জড় সুখ-ভোগ তা দুঃখের কারণ বা উৎস। এই জড় সুখভোগের উৎপত্তি হয় এবং লয় হয়। তাই বুদ্ধিমান ব্যক্তির জড়সুখের দ্বারা প্রীত হন না। 

* ভগবদ্‌গীতায় বর্ণিত শান্তি সূত্রটি কি? উঃ ভগবদ্‌গীতায় বর্ণিত শান্তি-সূত্রের প্রথমাংশ হ'ল-ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, সমস্ত যজ্ঞ ও তপস্যার ভোক্তা। দ্বিতীয়টি হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণ, সমস্ত লোকের মহেশ্বর এবং তৃতীয়টি হচ্ছে জগবান শ্রীকৃষ্ণ সমস্ত জীবের হিতাকাঙ্খী বন্ধু। এই তিনটি বিষয় জানতে পারলে জড় জগতের দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্তিলাভ করে মানুষ যথার্থ শান্তি প্রাপ্ত হতে পারবে।
* যোগারুরুক্ষ এবং যোগারূঢ় অবস্থা কাকে বলে? উঃ ভগবানের সাথে যুক্ত হওয়ার পন্থাকে বলে যোগ। যে যোগরূপ সিঁড়ির সাহায্যে পারমার্থিক তত্ত্বজ্ঞানের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করা যায়, সেই যোগরূপ সিঁড়ির প্রথম সোপানকে যোগারুরুক্ষ অবস্থা বলে (অর্থাৎ যারা আরোহণ করতে ইচ্ছুক) এবং সর্বোচ্চ সোপানকে যোগারূঢ় অবস্থা বলা হয়।
* মন কার বন্ধু এবং কার শত্রুরূপে কাজ করে? 
উঃ যে তার মনকে জয় করে নিজের বশীভূত করে রেখেছে তার মন তার পরম বন্ধুরূপে কাজ করে, কিন্তু যে মনকে জয় না করতে পেরে মনের বশীভূত হয়েছে, তার মন শত্রুরূপে কাজ করে।
 * যথার্থ যোগারূঢ় ব্যক্তির লক্ষণ কি?
 উঃ যে যোগী শাস্ত্রজ্ঞান এবং তত্ত্ব অনুভূতিতে পরিতৃপ্ত, যিনি শীত-উষ্ণ আদি দ্বন্দ্বে নির্বিকার, জিতেন্দ্রিয় এবং মাটি, প্রস্তর ও সুবর্ণে সমদর্শী, তিনি যোগারূঢ় বলে কথিত হ'ন।
* কার পক্ষে যোগী হওয়া সম্ভব নয়? 
উঃ যারা অধিক ভোজন করে, নিতান্ত নিরাহারে থাকে, এবং অধিক নিদ্রাপ্রিয় বা নিদ্রাশূন্য তাদের পক্ষে যোগী হওয়া সম্ভব নয়।

*


যোগীর কোন অবস্থাকে সমাধি বা যোগযুক্ত অবস্থা বলা হয়? উঃ যোগী যখন যোগানুশীলন দ্বারা তার চিত্তবৃত্তিকে সম্পূর্ণরূপে নিরোধ করে সমস্ত জড়কামনা থেকে মুক্ত হয়ে আত্মাতে-অবস্থান করেন, তখন তার সেই অবস্থাকে যোগযুক্ত বা যোগ সমাধি অবস্থা বলে।



ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা..



 

একদিন যুধিষ্ঠির ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা করলেন, "ভগবান.....তুমি তো তোমার মোহন বাঁশীর সুরে সকলকেই আকর্ষণ করছো তবুও কেউ কেউ তো সেই আকর্ষণে আকৃষ্ট হচ্ছে না?" শ্রী কৃষ্ণ সেই সময় যুধিষ্ঠির এর কোনো প্রশ্নের উত্তর দিলেন না।
\
 অপরাহ্নে তিনি যুধিষ্ঠির কে সঙ্গে নিয়ে একটা বনের মধ্যে বেড়াতে গেলেন। বনের মধ্যে একটা গাছের মধ্যে মৌচাক ছিল; চাকের মধ্য হতে ফোঁটা ফোঁটা মধু ঝরে পড়ছিল। একটি লোক নীচে দাঁড়িয়ে সেই মধু হাঁ করে খাচ্ছিল। মধুপানে সে ব্যক্তি এমনি মত্ত হয়েছিল যে, তার বাহ্য জ্ঞান একরকম রহিত হয়েছিল। একটি প্রকান্ড অজগর সর্প মুখ হাঁ করে ঐ লোকটার দিকে আসছিল। যুধিষ্ঠির শ্রী কৃষ্ণকে বললেন,-"এ লোকটিকে তো এখনই সাপে খেয়ে ফেলবে!" শ্রী কৃষ্ণ বললেন-"লোকটিকে বিপদ থেকে রক্ষা করতে ডাকুন।

" যুধিষ্ঠির লোকটিকে ডাকতে লাগলেন; কিন্তু লোকটি মধুপানে এমন মত্ত যে, যুধিষ্ঠিরের ডাক শুনতেই পেল না। যুধিষ্ঠির পুনরায় লোকটির কাছে গিয়ে চিৎকার করে ডাকতে লাগলেন। অনেক্ষন পর লোকটি বলল-"আর এক ফোঁটা

" কিন্তু এই অবসরে লোকটিকে সাপে গ্রাস করে ফেলল। শ্রী কৃষ্ণ যুধিষ্ঠির কে বললেন- "আপনি সে-সময় আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কেন আমার বাঁশির সুরে কেউ কেউ তো আকৃষ্ট হচ্ছে না? আপনি ত এই লোকটিকে এত ডাকলেন, কিন্তু আপনার ডাক লোকটি শুনল না কেন ? উপদেশঃ সংসারটা হচ্ছে মধুরচাক আর বিষয় আশয় হচ্ছে সর্প ।

 সংসার এর মধুপানে আমরা মত্ত হয়ে ভগবান এর ডাক শুনতে পাচ্ছি না। আমরা কেবল বলছি, আর কয়েকদিন পরে ছেলে উপযুক্ত হলেই তার হাতে সংসারের ভার দিয়ে বাকি জীবনটা কেবল ভগবান এর নাম করেই কাটাব। ছেলে উপযুক্ত হলে বললাম, পৌত্রের মুখ দেখতে পেলেই আমার সংসার স্বাদ মিটে যেত।

 পৌত্রের মুখ দেখতে পেয়ে বললাম, পৌত্রের বিবাহ দিতে পারলেই আমার সব কাজ শেষ। এই রূপ বলতে বলতেই মৃত্যু রূপ সর্প এসে গ্রাস করে ফেলে ।। ** হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে.

ইসকন কি?




ইসকন" হল ইংরেজী শব্দ। ইংরেজীতে "ISKCON" এর পূর্ণরূপ হল I=INTERNATIONAL, S=SOCIETY for, K=KRISHNA, CON=CONSCIOUSNESS. "INTERNATIONAL SOCIETY FOR KRISHNA CONSCIOUSNESS" এর বাংলা অর্থ হল "আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ" এবং এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল "ইসকন"। 

বাংলাদেশে হিন্দুবাদী সংগঠন ইসকনের প্রভাব দ্রুত বাড়ছে


কেন্দ্র ভারতে হলেও বাংলাদেশে প্রভাব বাড়ছে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেস- ইসকনের। তা ভক্ত অনুসারির সংখ্যার বিচারে, আচার অনুষ্ঠান আয়োজনে এবং প্রচার প্রাচরনায়ও। এমনকি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের লোক নিয়োগের আবদারও বাড়ছে।

করোনাভাইরাসের লক্ষণ



করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ২০ হাজার জনের কাছাকাছি, এর মধ্যে বেশির ভাগই চীনের মানুষ। চীনেই সর্বপ্রথম এই ভাইরাসের খবর পাওয়া যায়। ধীরে ধীরে এটি গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। থাইল্যান্ড, জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো অন্যান্য দেশ থেকেও এই ভাইরাস সংক্রমণের ঘটনা জানা গেছে। তাই, বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে এই মারণ ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

কীভাবে এই ভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তিদের চিকিৎসা করা হবে, তা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডঐঙ) প্রচার করছে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের বিশ্বাস, ২০০৩ সালে ৮০০-রও বেশি মানুষের মৃতু্য ও হাজার হাজার মানুষের আক্রান্ত হওয়ার কারণ 'সার্স' (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম) ভাইরাসের পরিবার থেকেই এসেছে এই নতুন ধরনের করোনাভাইরাস। তারা আরও জানিয়েছেন যে এই ভাইরাসটি চীনের বাজারে পাওয়া প্রাণিজ পণ্য বা সামুদ্রিক খাবার থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে।

করোনাভাইরাস কী?

করোনাভাইরাস বলতে এক গোত্রের অনেক ভাইরাসকে বোঝায়, যা মূলত প্রাণীদের মধ্যে পাওয়া যায়। বার্ড ফ্লু তথা সার্স ভাইরাসও এই গোত্রের। হিউম্যান করোনাভাইরাস এক ধরনের জুনোটিক রোগ এবং এই সংক্রমণটি প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

 ভাইরাসটির অনেক রকম প্রজাতি আছে। কিন্তু, এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা প্রায় ছয়টি করোনাভাইরাস শনাক্ত করেছেন, যা মানুষকে প্রভাবিত করে এবং হালকা থেকে মারাত্মক লক্ষণ সৃষ্টি করে। 

হিউম্যান করোনাভাইরাসের প্রথম খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল ১৯৬০ সালে একজন রোগীর মধ্যে, যিনি সর্দিতে ভুগছিলেন। করোনাভাইরাস নামটি এসেছে এর আকৃতির ওপর ভিত্তি করে। ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপে এই ভাইরাসটি ক্রাউন বা মুকুটের মতো দেখতে হওয়ায় এর নাম হয়েছে 'করোনা'।

মানুষ প্রায়ই তাদের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়, সুস্থ হয়ে ওঠে এবং কয়েক মাস পরে আবার সংক্রমিত হতে পারে। মানুষের দেহে ছয় ধরনের করোনাভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে, যথা- আলফা করোনাভাইরাস (ঘখ৬৩ এবং ২২৯ঊ), বিটা করোনাভাইরাস (ঐকট১ ও ঙঈ৪৩) এবং বাকি দুটি সার্স ও মার্স তাদের প্রাণঘাতী লক্ষণগুলোর জন্য পরিচিত।

হিউম্যান করোনাভাইরাস ছড়ানোর কারণ হিউম্যান করোনাভাইরাস সাধারণত একজন ব্যক্তির শ্বাসনালিকে প্রভাবিত করে। শ্বাসনালিতে সংক্রমিত তরল কাশি বা হাঁচির সময় এক ব্যক্তির থেকে আরেক ব্যক্তির মধ্যে চলে যায়। এ ছাড়া যদি সংক্রমিত ব্যক্তি মুখ না ঢেকে খোলা বাতাসে হাঁচি বা কাশি দেয়, তাহলে ভাইরাসটি বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।

 ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার অন্যান্য কারণ হলো- সংক্রমিত ব্যক্তির সঙ্গে হ্যান্ডশেক, সংক্রমিত কোনো বস্তুর সঙ্গে নাক বা মুখ একসঙ্গে স্পর্শ করা এবং বিরল ক্ষেত্রে, রোগীর মলমূত্র স্পর্শ করা। হিউম্যান করোনাভাইরাসের লক্ষণ ঘখ৬৩ এবং ২২৯ঊ, ঐকট১ ও ঙঈ৪৩-এর কারণে ফ্লু-এর মতো লক্ষণ দেখা দেয় যা, হালকা থেকে মাঝারি আকার ধারণ করে। 

অন্যদিকে, মার্স ও সার্স মারাত্মক লক্ষণ সৃষ্টি করে। এই ভাইরাসের পূর্ববর্তী লক্ষণগুলো হলো-

ক) সর্দি, খ) গলাব্যথা, গ) কাশি, ঘ) মাথাব্যথা, ঙ) জ্বর, চ) হাঁচি, ছ) অবসাদ ও জ) শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া। 

এ ক্ষেত্রে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায় এবং যারা বয়স্ক তাদের এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে এবং নিউমোনিয়া বা শ্বাসনালির ব্যাধির মতো মারাত্মক অসুস্থতায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বেশি থাকে।

 মার্স ও সার্সের লক্ষণগুলো মারাত্মক হয়, এর কারণে গুরুতর শ্বাসকষ্টের সমস্যা, কিডনিতে সমস্যা, ডায়রিয়া এবং কোনো ব্যক্তির মৃতু্যও হতে পারে বলে জানা গেছে।

 হিউম্যান করোনাভাইরাস নির্ণয় হিউম্যান করোনাভাইরাস নির্দিষ্ট কয়েকটি পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়, যথা- মলিকিউলার টেস্ট : সক্রিয় সংক্রমণের লক্ষণগুলো খুঁজে বের করতে। সেরোলজি টেস্ট : এই পরীক্ষাটি নজরদারি করার উদ্দেশ্যে। এটি পূর্ববর্তী সংক্রমণ থেকে অ্যান্টিবডিগুলো শনাক্ত করার জন্য করা হয়, যা একজন ব্যক্তির ভাইরাসের ধরন প্রকাশিত করে।

হিউম্যান করোনাভাইরাস চিকিৎসার সঠিক চিকিৎসা এখনো আবিষ্কার করা হয়নি। বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। তবে অনেক সহায়ক চিকিৎসাপদ্ধতি এবং ওষুধ রয়েছে যেগুলো এর হালকা থেকে মাঝারি উপসর্গগুলোর চিকিৎসা করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যথা ও জ্বরের চিকিৎসার জন্য ওষুধ বা গলাব্যথা নিরাময়ের জন্য গরম পানি ইত্যাদি।

 হিউম্যান করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ক) হাঁচি বা কাশির পরে হাত ধুয়ে নিন।

 খ) কাশি বা হাঁচির আগে মুখ ঢেকে নিন।

 গ) আপনার যদি মনে হয় যে আপনি সংক্রামিত, তাহলে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলুন।

 ঘ) রান্না না করা গোশত ও ডিম খাওয়া এড়ান। 

ঙ) নিজেকে সারাক্ষণ হাইড্রেট রাখুন।

 চ) লক্ষণগুলো দেখা দেয়া মাত্রই ওষুধ খান এবং পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে দেবেন না।

 ছ) ধোঁয়াটে এলাকা বা ধূমপান করা এড়িয়ে চলুন।

 জ) যথাযথ বিশ্রাম নিন।

ঝ) ভিড় থেকে দূরে থাকুন। য় সুস্বাস্থ্য ডেস্ক

Source of :Jai Jai Din.

হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্রের বিরুদ্ধে জামায়াত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ


গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক


বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের বিরুদ্ধে জামায়াত সংশ্লিষ্টতাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনেছে সংগঠনটির একাংশ। শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতিতে সংবাদ সম্মেলনে হিন্দু মহাজোটের এই নেতারা তার বহিষ্কারের ঘোষণাও দিয়েছেন। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাকালীন মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার অভিযোগও করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। তবে এসব বিষয়ে গোবিন্দ চন্দ্রের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হিন্দু জোটের যুগ্ম মহাসচিব উত্তম কুমার দাস সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, গোবিন্দ প্রামাণিক বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ‘কটূক্তি করায় তারা বিব্রত’।

‘তিনি সর্বদা জামায়াত ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির প্রশংসা করেন। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিপক্ষে কথা বলেন। এমনকি বঙ্গবন্ধুকে নিয়েও নানা সময়ে কটূক্তি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছে।’ তিনি বলেন, সম্প্রতি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি স্বরূপ এমন উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের অভিযোগও রয়েছে। আমাদের নানা কর্মসূচিতেও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির লোকজন এসে উপস্থিত হতেন। নেতাকর্মীরা নিজেদের ক্ষোভ জানিয়েছেন। সংগঠনের মাসিক চাঁদার পরিমাণ, আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশে গোবিন্দ প্রামাণিক নানা সময়ে ‘অস্বীকৃতি’ জানাতেন বলে অভিযোগ করেন হিন্দু মহাজোট নেতারা। এছাড়াও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অনুমোদন ছাড়া সদস্যপদ প্রদান, পদায়ন এবং জেলা-উপজেলার কার্যকরী কমিটি ‘ভেঙে নতুন কমিটি দেয়ায়’ গোবিন্দ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ অন্য নেতারা। ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি -এনআরসি, রাম মন্দির ইস্যুতে বিতর্ক তৈরি করায় গোবিন্দ প্রামাণিক ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন’ বলে অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।

বাণী চিরন্তণী Motivational quotes

Popular Posts

Hindu international Consciousness

ad

Featured Post

পবিত্র বেদ পাঠ,পবিত্র বেদ পাঠ বিভাগ – ॐ সনাতন ধর্মতত্ত্ব পবিত্র বেদের উৎপত্তি ও ইতিহাস

বেদ মাতার ইচ্ছায় বাংলা ভাষায় ঋগ্বেদের মূলমন্ত্র অর্থ ও টীকাসহ প্রকাশের চেষ্টা করা হয়েছে। ধীরে ধীরে এর কলেবর বৃদ্ধি করার চেষ্টা চলতে থাক...