b Sanatan Dharma - সনাতন ধর্ম: জাতীয়

https://a-ads.com/

ব্রেকিং নিউজ

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন । আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন। বিজ্ঞপ্তি: জরুরী সংবাদকর্মী নিয়োগ চলিতেছে…। আপনি কি কম খরচে Website, Bloggersite, Youtube channel, E-commica site তৈরি করতে চান? যোগাযোগ করুন বিস্তারিত : মোবাইল: 01712475454,01940103713 , দেশ - বিদেশের খবর সবার আগে জানতে সাথে থাকুন।আমাদের সংঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ এ রকম আরও ভিডিও/ সর্বশেষ সংবাদ Update News পেতে আমাদের Website /Youtube Channel পেইজে লাইক দিন৷ ❤️ ✌ ✔️ কোন মতামত বা প্রশ্ন থাকলে কমোন্ট করে জানান।
Showing posts with label জাতীয়. Show all posts
Showing posts with label জাতীয়. Show all posts

Monday, August 30, 2021

শ্রীকৃষ্ণের জন্ম অষ্টমী সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা


 শ্রীমদ্ভগবৎ গীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,

যখনই পৃথিবীতে অধর্মের প্রাদুর্ভাবে ভক্তের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে, দুরাচারীর অত্যাচার ও নিপীড়নে, তখন ধর্ম সংস্থাপনের জন্য কৃপা করে ভক্তের আকুল প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে ঈশ্বর ‘অবতার’ রূপ নিয়ে থাকেন।

তখন তিনি ষড়গুণ যথা- ঐশ্বর্য, বীর্য, তেজ, জ্ঞান, শ্রী ও বৈরাগ্যসম্পন্ন ‘পূর্ণাবতাররূপে’ প্রকাশিত হন। গীতায় শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে আরও বলেছেন, ‘আমি জন্মহীন, অব্যয় আত্মা, ভূতগণের ঈশ্বর (শাসক, নিয়ন্তা স্রষ্টা) হয়েও নিজ প্রকৃতিকে (অনির্বচনীয় মায়াশক্তিকে) আশ্রয় করে আত্মমায়ায় জন্মগ্রহণ করি।

পুরাণে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম ধরাভারহরণ, অসুর-নিধনাদি নামে অভিহিত করা হয়েছে।

জন্ম অষ্টমীর আবির্ভাবঃ-

দ্বাপরের যুগ সন্ধিক্ষণে রোহিণী নক্ষত্রে অষ্টমী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব এ মাটির পৃথিবীতে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অপ্রাকৃত লীলাকে কেন্দ্র করেই জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত হয় বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে। ওই সময় অসুররূপী রাজশক্তির দাপটে পৃথিবী হয়ে উঠেছিল ম্রিয়মাণ, ধর্ম ও ধার্মিকেরা অসহায় সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন। অসহায় বসুমতি পরিত্রাণের জন্য প্রজাপতি ব্রহ্মার শরণাপন্ন হন। ব্রহ্মার পরামর্শে দেবতারা মিলে যান দেবাদিদেব মহাদেবের কাছে পরিত্রাণের উপায় খুঁজে বের করতে। সৃষ্টি স্থিতি ও প্রলয়ের যুগসন্ধিক্ষণে তারা বিষ্ণুর বন্দনা করেন।

স্বয়ং বিষ্ণু মহাদেবের কঠোর তপস্যায় মগ্ন হন। এরপর অভয়বাণী শুনিয়ে বলেন, তিনি অচিরেই মানবরূপে ধরাধামে অবতীর্ণ হবেন দেবকীর অষ্টম গর্ভের সন্তানরূপে শঙ্খ চক্র, গদা, পদ্মধারী শ্রীকৃষ্ণ নামে। ভগবান বিষ্ণু দেবতাদের নির্দেশ দিলেন ধরাধামে তার লীলা সহচর হিসেবে জন্ম নিতে। ভগবান বিষ্ণুর নির্দেশমতো দেবতারা নিজেদের পত্নীসহ ভগবানের কাঙ্ক্ষিত কর্মে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে যদুকুলে বিভিন্ন পরিবারে জন্ম নেন। এভাবে ভগবানের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য দেবতাগণ মর্ত্যলোকে অবতরণ করেন।

উপস্থিত হয় কাঙ্ক্ষিত সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ভাদ্র মাসের অষ্টমী তিথি। মধ্যরাত্রির নিবিড় অন্ধকারে ভুবন আবৃত। সবাই গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন। এরকম সময়ে শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্মধারী, চতুর্ভুজ মূর্তিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কংসের কারাগারে আবির্ভূত হন। বসুদেব দেবকী বিস্ময় বিস্ফোরিত চোখে প্রত্যক্ষ করেন শ্রীভগবানের সেই জ্যোতির্ময় আবির্ভাব। আবির্ভূত দেবকী-বসুদেব নয়নভরে দেখেন অপরূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত মনোহর শিশুটিকে-চতুর্ভুজ, বর্ণমালা পরিহিত অবস্থায়। সর্ব অঙ্গে বহুমূল্য বলয়, বক্ষে শ্রী বৎস চিহ্ন, সারা অঙ্গে মণিমুক্তাখচিত বহু মূল্যবান অলংকারাদি।

ভগবানের আবির্ভাবের ক্ষণটিও সর্বসুলক্ষণযুক্ত, ঐশ্বর্যমণ্ডিত তাৎপর্যে উদ্ভাসিত। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব লীলা সত্যিই অপূর্ব সুশোভামণ্ডিত, তাৎপর্যপূর্ণ। যেমন, শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে বসুদেব যশোদার গৃহে নিয়ে যান তখন ছিল ঝড়বৃষ্টি। অঝোর বারিধারার সিঞ্চন থেকে শ্রীকৃষ্ণকে বাঁচাতে অনন্তদেব এসে ফণা বিস্তার করে চক্রধারণ করেন। ভরা ভাদ্রের প্রমত্তা যমুনাও কৃষ্ণ গমনের পথ সুগম করে দেন। এসবই শ্রীকৃষ্ণের অলৌকিক ঐশ্বর্যের প্রকাশ।

যুক্তিবাদীরা এসবকে অবিশ্বাস্য কল্পনাবিলাস বলে উড়িয়ে দিতে চাইলেও ভক্তের হৃদয় যতই চিন্ময়ের দিকে অগ্রসর হয় ততই এসব মধুর শাশ্বত লীলাভক্তের হৃদয়ে সত্যরূপে উদ্ভাসিত হতে থাকে। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় উল্লেখ আছে, যিনি যেভাবে তাকে ভজন করেন, ভগবান সেভাবেই তাকে অনুগ্রহ করেন। তাই কংসের কারাগারে দেবকী-বসুদেবের সম্মুখে শ্রীকৃষ্ণ চতুর্ভুজ শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্মধারী, আর নন্দালয়ে তিনি পূর্ণ অবতারস্বরূপ দ্বিভুজ মূর্তিতে উপস্থিত। ঐশ্বর্যলেশহীন বাৎসল্য প্রেমে নন্দালয়ে শ্রীকৃষ্ণের অভিষেক হয় সাধারণ মানবিক পরিবেশে।

সনাতন ধর্মে শ্রীকৃষ্ণ সর্বব্যাপী। ধর্মে, অনুষ্ঠানে, আচারে, জীবন পরিচালনায় শ্রীকৃষ্ণ ভিন্ন জীবন অচল। এমন একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী পাওয়া যাবে না, যিনি শ্রীকৃষ্ণ অনুরাগী নন। শ্রীকৃষ্ণ ঈশ্বর, মানুষের প্রয়োজনে দেহ ধারণ করেছেন। মানুষের মাঝে আদর্শ পুরুষের প্রতীকস্বরূপ তার জীবন বহুবার বিধৃত হয়েছে। এবং এভাবেই অসুর নিধন করে মানবকুলকে রক্ষা করেছেন।

কেন এত গুরুত্বপূর্ণ জন্মাষ্টমী???

অত্যাচারী রাজা কংসের রাজত্বে মথুরাবাসীর দুঃখের সীমা ছিল না। বোন দেবকীর সঙ্গে বাসুদেবের বিয়ের সময় আকাশ ভেঙে শোনা যায় দৈববাণী। দেবকীর অষ্টম গর্ভে জন্মানো সন্তান কংসকে হত্যা করে উদ্ধার করবে মথুরাবাসীকে। দৈববাণী শুনে দেবকী, বাসুদেবকে সেই মুহূর্তেই কারাগারে বন্ধ করেন কংস।

দ্বাপর যুগে মর্ত্যে আবির্ভাব বিষ্ণুর অষ্টম অবতার কৃষ্ণের। কারাগারে দেবকীর ষষ্ঠ সন্তানকেও বাসুদেব কারাগারে হত্যা করার পর সপ্তম সন্তান মারা যায় গর্ভেই। কথিত আছে এই সপ্তম সন্তানই বৃন্দাবনে রোহিনীর গর্ভে বলরাম রূপে জন্মগ্রহণ করেন। অষ্টম গর্ভে কৃষ্ণের জন্মের পর বাসুদেব দেবানুকূল্যে শ্রাবণের ঝড়, বৃষ্টি কবলিত রাতে শিশু কৃষ্ণকে বৃন্দাবনে নন্দরাজ, যশোদার কাছে দিয়ে আসেন। কৃষ্ণকে মাথায় নিয়ে যমুনা পারপারের সময় শেষনাগ শিশু কৃষ্ণকে রক্ষা করেন দুর্যোগের হাত থেকে।

বৃন্দাবনে যশোদার সদ্যোজাতের সঙ্গে কৃষ্ণকে বদলে দিয়ে আসেন। দেবকীর কোলে যশোদার সদ্যোজতকে দেখে কংস তাকে বধ করতে উদ্যত হলে শূন্যে মা দুর্গার রূপ ধারণ করেন সেই সদ্যোজাত কন্যা। শোনা যায় দৈববাণী, কংসকে হত্যা করে মথুরাবাসীকে উদ্ধার করতে কৃষ্ণ পৃথিবীকে আবির্ভূত হয়েছেন।

ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে রোহিণী লক্ষত্র যোগে কৃষ্ণ মধুরার কংস কারাগারে মাতা দেবকীর উদরে অষ্টম সন্তান রূপে জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর এই জন্মদিনকে জন্মাষ্টমী বলা হয়।

অষ্টম গর্ভ অর্থ কি?

অষ্টম অর্থ আমরা আটকে বুঝি । আট একটা সংখ্যা, এখানে আট সংখ্যাটা এসেছে আট প্রকার প্রকৃতি থেকে। সেগুলো হচ্ছে -আকাশ,বায়ু, অগ্নি, জল, মাটি ,মন, বুদ্ধি, অহংকার  এই আট প্রকার প্রকৃতি ।

আর গর্ভ= গ– র– ভ।

গ— এসেছে গঠন থেকে অর্থাৎ গঠিত করা।

র— এসেছে রত থেকে অর্থাৎ যুক্ত থাকা।

ভ— এসেছে ভূ থেকে অর্থাৎ পৃথিবী।

অষ্টম গর্ভের মূল অর্থ হচ্ছে যিনি এই আট প্রকার পকৃতি দ্বারা মহাবিশ্ব গঠনে যুক্ত ( রত) থাকেন ।

কে এই মহাবিশ্ব আট প্রকার প্রকৃতি দ্বারা গঠনে রত থাকেন? তিনি হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণ। তাই থাকে অষ্টম গর্ভ বলা হয়। শত্রুর কারাগারে জম্ম নেয়া, শিশুকাল হতে অসুরের বিরুদ্ধে নিরন্তর যুদ্ধ করা, সত্যধর্ম সংস্থাপনের পথ প্রদর্শক, সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জীবন দর্শন প্রদানকারী পরম পুরুষ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জম্ম তিথিতে জানাই শ্রীকৃষ্ণ প্রীতি নমস্কার।

সমাজ, সংসার, ধরাধামে যখন যখন অধর্ম আর অসুরের উৎপাত বৃদ্ধি পাবে তখন তখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নব নব রুপে আবির্ভূত হয়ে অধর্ম আর অসুরের বিনাশ করে ধর্ম সংস্থাপন করবে এটাই আমার বিশ্বাস।

 ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডটকম (Dailynewstimesbd.com)এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন করুন।

বিশ্বমানবের মঙ্গলকামনায় দেশ ও জাতির মঙ্গলার্থে

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫,২৪৬ তম জন্মাষ্টমীর শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে সকলকে জানাই পবিত্র জম্মাষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা।

সকল হিংসা বিদ্বেষ, দুঃখ, জ্বরা, ব্যাধি দূর হোক। সকলের মাঝে জ্ঞানের আলোক শিখা প্রজ্জলিত হোক।

ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডটকম (Dailynewstimesbd.com)এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন করুন।

Thursday, August 5, 2021

হোটেলের বি’ছানার চাদর-বালিশ সাদা হয় কেন-

 

ঘুরতে গেলে হোটেলে তো থেকেছেন নিশ্চয়ই। সব হোটেলের বিছানার চাদর এবং বালিশের কভা’র সাদা! কখনো খেয়াল করেছেন? মনে হতেই পারে হোটেলের বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হয় কেন? নব্বয়ের দশকের শুরুতে ওয়েস্টিন হোটেল গ্রুপ তাদের হোটেলের ঘরগুলোতে সাদা বালিশ, চাদর, তোয়ালের ব্যাপক ব্যবহার শুরু করে।

 

সে সময় ইউরোপ এবং আ’মেরিকার কয়েকটি নামী হোটেলে সাদা চাদর, বালিশ ব্যবহারের চলন ছিল। তবে ১৯৯০ এর দিকে ওয়েস্টিন এবং শেরাটন হোটেলের ডিজাইন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিন হুভা’র-ই ওয়েস্টিন হোটেল গ্রুপের ঘরগুলোতে সাদা চাদর, বালিশ ব্যবহারের পরাম’র্শ দেন। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি যু’ক্তিও দিয়েছিলেন হুভা’র। এরিন হুভা’র এর যু’ক্তি ছিল, সাদা চাদর, বালিশ হোটেলের অ’তিথিদের মনে পরিচ্ছন্নতার অনুভূতি তৈরি করে। এনে দেয় মানসিক তৃপ্তি। এরিন হুভা’রের যু’ক্তি মেনে এই পদ্ধতির ব্যবহারের ফলে ওয়েস্টিনের হোটেলগুলোর ব্যবসা অনেকটাই বেড়েও যায়। অ’তিথিদের পছন্দের হোটেলের তালিকার জায়গা করে নেয় ওয়েস্টিনের হোটেলগুলো। পরবর্তীকালে প্রায় সকলেই এই পন্থা অনুসরণ করতে শুরু করেন। সাদা রং অনেক বেশি আলোর প্রতিফলন ঘটায়। তাই সাদা চাদর, বালিশ, পর্দা ব্যবহারের ফলে হোটলের ঘরগুলো আরও উজ্জ্বল বলে মনে হয়। তাছাড়া সাদা চাদর, বালিশ, পর্দা ময়লা হলে সবকটি এক সঙ্গেই ধুয়ে নেওয়া যায়। অন্যান্য যে কোনও রঙের ক্ষেত্রে এক রঙের কাপড়ের থেকে আরেকটায় রং লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। এছাড়া সাদা রঙ যে দেখতেও ভাল লাগে তা আর বলার অ’পেক্ষা রাখে না। এরিন হুভা’রের এমন যু’ক্তিও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে সকলের কাছে। হোটলের ঘরগুলোর দেওয়ালের রং ঘন ঘন পাল্টানো সম্ভব নয়। ঘরের দেওয়ালের রঙের সঙ্গে বিছানার চাদর, বালিশ বা পর্দার রং না মিললে দেখতেও ভাল লাগে না। তাছাড়া ঘন ঘন মানানসই রঙের চাদর, বালিশ আর পর্দা পাওয়া মু’সকিল। তাই সাদা রঙের চাদর, বালিশ বা পর্দার ব্যবহারে এই সমস্যাগুলোর সমাধান হতে পারে অনায়াসে।

‘ব্যতিক্রমী কিছু সৃষ্টি করতে চাইলে, খুঁটিনাটি বিষয়েও নিখুঁত পর্যবেক্ষণ জরুরি’ – এই মতাদর্শকেই সামনে রেখে এরিন হুভা’রের এই পদক্ষেপ হোটেল ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন এনে দেয়।

 

সামান্য চাদর, বালিশের রং হোটেল ব্যবসার ক্ষেত্রে বা হোটেলের অ’তিথিদের ভাবনা চিন্তায় কতটা প্রভাবিত করতে পারে তা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন হুভা’র। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে শতাধিক নামী হোটেলে এমনই আরও নানা খুঁটিনাটি বিষয় মা’থায় রেখে ব্যবহার করা হয় সাদা রঙের চাদর, বালিশ। তবে এরিন হুভা’রের যু’ক্তি বা ব্যাখ্যাগুলোই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।

ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডটকম (Dailynewstimesbd.com)এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন করুন।

Monday, August 2, 2021

বাড়াতে চান নিজের উচ্চতা? জেনে নিন উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ১৫টি খাবারের নাম

 


বিজ্ঞান বলে বয়স ১৮ বছর হয়ে গেলেই মানুষ আর লম্বা হয় না। কিন্তু মানবদেহ জীবনভরই উচ্চতা বাড়ানোর জন্য দায়ী হরমোন নিঃসরণ করতে থাকে। আর এই হরমোনই আমাদের উচ্চতা বাড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভুমিকা পালন করে। পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে এই হরমোন নিঃসরিত হয়। বলা হয়ে থাকে কেউ যদি নিয়মিতভাবে একটি সুস্থ্য ও সক্রিয় জীবন-যাপন করতে পারেন তাহলে তার উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব।


রীরচর্চা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। এমন বিশেষ কিছু খাবার আছে যেগুলো উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। আসুনে জেনে নেওয়া যাক।

উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ১৫টি খাবারের নাম


১. শীম শীমে আছে প্রচুর ভিটামিন এবং প্রোটিন যা আপনার উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভুমিকা পালন করে। শীমে থাকা খনিজ উপাদান টিস্যু এবং মাংসপেশি গঠনে কাজ করে। যা স্বাভাবিকভাবেই উচ্চতা বাড়ায়।

২. ডাল বা মটরশুটি এই জাতীয় খাদ্য নানা ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টিতে সমৃদ্ধ যা উচ্চতা বাড়ায়। এছাড়া মটরদানা জাতীয় খাদ্যে কয়েকটি উচ্চতা বৃদ্ধির হরমোনও আছে।

৩. ব্রোকলি এতে আছে উচ্চহারে ভিটামিন সি, আঁশ এবং আয়রন। এটি দেহের কার্যক্রম ঠিক রাখতে এবং দৈহিক বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোনের উদ্দীপনা বাড়াতে সহায়ক।

৪. শালগম এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ পুষ্টি এবং খাদ্য আঁশ। এটি আমাদের দেহের বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. গরুর দুধ গরুর দুধে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়ের উন্নয়ন ও হাড় শক্তিশালীকরণে কাজে লাগে। গরুর দুধে থাকা ভিটামিন এ দেহের ক্যালসিয়াম সংরক্ষণেও কাজ করে এবং এর সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিতে সহায়তা করে। ক্যালসিয়াম প্রাকৃতিকভাবে উচ্চতা বাড়ানোর সহায়ক উপাদানগুলোর একটি।

৬. ফল মাল্টা, পেপে, আম, এপ্রিকোট এবং প্যাশন ফ্রুটে আছে ভিটামিন, পটাশিয়াম, আঁশ এবং ফোলেট। এর সবগুলো উপাদান হাড়ের বৃদ্ধি এবং উচ্চতা বৃদ্ধিতেও কাজ করে।

৭. তালের গুড়+দুধ খালি পেটে এই মিশ্রণটি খেলে দুর্দান্ত ফল পাওয়া যায়। দুধের সঙ্গে তালের গুড় মিশিয়ে খালি পেটে দুধের কার্যকারিতা দশগুন বৃদ্ধি পায়। এই মিশ্রণটি খেলে সবগুলো পুষ্টি উপাদান সহজেই শুষে নিতে পারে আমাদের দেহ।

৮. কালো তিল+কাজুবাদাম+অশ্বগন্ধা+দুধ অশ্বগন্ধা এইচজিএইচ হরমোন নিঃসরণের হার ঠিক রাখে। আর এ কারণেই এটি উচ্চতা বৃদ্ধিতে এতটা কার্যকর। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং ঘনত্ব বাড়াতেও কার্যকর। কালো তিলে আছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন বি ও আয়রন। এটি ক্যালসিয়ামেরও ভালো উৎস। হাড়ের বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক এসব উপাদান। কাজুবাদামে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম যেগুলো হাড়ের বৃদ্ধিতে জরুরি খনিজ উপাদান। আর এই সবগুলো উপাদান দুধের সঙ্গে মিলে উচ্চতা বাড়ায়। প্রতিদিন রাতে দুধের সঙ্গে এক চামচ অশ্বগন্ধা, কাজুবাদাম এবং কালো তিলের পাউডার মিশিয়ে পান করুন।

৯. সয়া বিন সয়া বিনে যে প্রোটিন থাকে তা হাড় এবং টিস্যুর ঘনত্ব বাড়ায়। যা তাদের বৃদ্ধির জন্যও জরুরি। নিয়মিতভাবে খেলে আপনার হাড়ের আকার ভালো থাকবে এবং স্বাস্থ্যকর উন্নয়ন হবে। প্রতিদিন অন্তত ৫০ গ্রাম সয়া বিন খেতে হবে।

১০. বাদাম বাদামও উচ্চ পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ। এতে যে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যামাইনো এসিড থাকে তা দেহের টিস্যু মেরামত এবং নতুন হাড় ও মাংসপেশির বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ফলে উচ্চতাও বাড়ে।

১১. সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি অসংখ্য উপায়ে সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি আমাদের উপকারে আসে। এতে থাকে প্রচুর খাদ্য আঁশ, ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টি যা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। এছাড়া দেহের গ্রোথ হরমোন নিঃসরণে উদ্দীপনাও যোগায় তা।

১২. গাজর এই খাবারটি ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ। হাড়ে ক্যালসিয়াম সংরক্ষণ এবং হাড়ের বৃদ্ধিতে উৎসাহ যোগায় এসব উপাদান। প্রতিদিন অন্তত ৩টি করে গাজর খেলে দেহের উচ্চতা বাড়ে।

১৩. পূর্ণ শস্য দেহ থেকে বর্জ্য নিঃসরণে সহায়ক পূর্ণ শস্যজাতীয় খাদ্য। যার ফলে আমরা যা কিছুই খাই না কেন তার কার্যকারিতা বেড়ে যায়। এই জাতীয় খাদ্য ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য দরকারি। এছাড়া এতে আছে ক্যালোরি যা বয়ঃসন্ধিকালে উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক।

১৪. ডিম ডিম উচ্চতা বাড়াতে সবচেয়ে কার্যকর জনপ্রিয় খাদ্য। ডিমে আছে ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম এবং রিবোফ্ল্যাবিন। ডিমে থাকা উচ্চমাত্রার প্রোটিন উপাদান হাড়ের উন্নয়ন ও হাড়কে শক্তিশালীকরণে কাজ করে।

১৫. কুমড়ো বীজ এরা ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ। যা হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য জরুরি। এছাড়া এতে আছে অ্যামাইনো এসিড যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।

Tuesday, July 27, 2021

Eso Priyo Mon Rangaye এসো প্রিয়, মন রাঙায়ে ধীরে ধীরে ঘুম ভাঙায়ে এসো প্রিয় মন রাঙ্গায়ে | নজরুল সঙ্গীত |

  এসো প্রিয়, মন রাঙায়ে ধীরে ধীরে ঘুম ভাঙায়ে
ন মাধবী বন দুলায়ে, দুলায়ে, দুলায়ে।।
শোন ‘পিউ পিউ’ ডাকে পাপিয়া
মোরে সেই সুরে ডাক ‘পিয়া, পিয়া’
তব আদর-পরশ বুলায়ে, বুলায়ে, বুলায়ে।।

যদি আন কাজে ভুলে রহি
চলে যেও না হে মোর বিরহী
দিও প্রিয়, কাজ ভুলায়ে, ভুলায়ে, ভুলায়ে।।

রুমঝুম রুমঝুম || RUMJHUM RUMJHUM নজরুল গীতিমালা

 রুমুঝুম রুমুঝুম নূপুর বাজে

আসিল রে প্রিয় আসিল রে।।
কদম্ব কলি শিহরে আবেশে
বেণীর তৃষ্ণা জাগে এলোকেশে
হৃদি ব্রজধাম রদ তরঙ্গে
প্রেম আনন্দে ভাসিল রে।।
ধরিল রূপ অরূপ শ্রীহরি
ধরণী হল নবীনা কিশোরী
চন্দ্রার কুঞ্জ ছেড়ে যেন কৃষ্ণ
চন্দ্রমা গগনে হাসিলো রে।
আবার মল্লিকা মালতি ফোটে
বিরহ যমুনা উথলি ওঠে
রোদন ভুলে রাঁধা গাহিয়া ওঠে
সুন্দর মোর ভালবাসিলো রে।।
-কাজী নজরুল ইসলাম

Friday, July 23, 2021

৮উপায়ে চিনে নিন চরিত্রহীন নারী কেমন হয়!

 

৮উপায়ে চিনে নিন চরিত্রহীন নারী কেমন হয়!





একই সময়ে বহুপুরুষের স’ঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পছন্দ করে এমন নারীর সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। বিশ্বস্ত একজন নারী, যার সাথে ঘর বেঁধে সুখে জীবন কা’টানো যায় এমনটা খুঁজতে রীতিমত ঘাম ছুটে যায় তাই অনেক পুরুষের। কিন্তু জীবনকে সুন্দর করতে একজন চরিত্রবান স’ঙ্গীর বিকল্প নেই।

যারা জীবনস’ঙ্গী খুঁজছেন, তাদেরকে তাই অবশ্যই জানতে হবে অসৎ নারীদের চেনার উপায়। তাহলে চরিত্রবান নারীস’ঙ্গী নির্বাচনে আপনি অনেকটাই নিরাপদ থাকবেন। চলুন জানা যাক অসৎ নারীদের চেনার ৮টি উপায় আপনার চেহারা থেকে কিভাবে 10 বছর কমিয়ে ফেলবেন তার গোপন সূত্রWellnessঘুমানোর আগে পান করুন-পেট ও পার্শ্বস্থ স্থান সবচেয়ে প্রথমে কমবে

১. ল’জ্জাই নারীর ভূষণ। কিন্তু অসৎ নারী আপাত ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জ হাবভাব প্রকাশ পায়। পুরুষের চোখের দিকে চেয়ে থেকে এমনভাবে, যেন তার ভিতরটা পড়ে ফেলছে। নারীর ওই দৃষ্টি পুরুষের সর্বনাশের কারণ। এমন মেয়ে থেকে সাবধান। এরা কখনোই পুরোপুরি বিশ্বস্ত হয়ে ওঠে না

২. মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময়। পুরুষকে বাধ্য করে তার রূপের দিকে নজর দিতে। ইচ্ছে করে ই’ঙ্গিতবাহী পোশাক পরে আসে তার সামনে। যাতে সহজেই আকৃষ্ট করতে পারে।

৩. কিছু নারী পুরুষের স’ঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রথমে। তারপর তার বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যেহেতু এই নারীকে পুরুষ সহজেই বিশ্বা’স করে নেয়, নিজের সম্পর্কে সবই তাকে বলে ফেলে। এমন নারী কিন্তু পুরুষকে ফাঁ’দে ফেলতে ওস্তাদ। নানাভাবে বিশ্বা’স অর্জন করে, ব্ল্যা’কমেইল করতেও পিছপা হয় না। এসব অসৎ নারী থেকে দূরে থাকতে হবে।

৪. নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খোঁজে এই নারী। এড়িয়ে গেলে বাড়ি চলে আসে। যেহেতু ততদিনে বাড়ির লোকের স’ঙ্গেও সদ্ভাব করে নেয়, তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বা’সযোগ্য।

৫. বারংবার দেখা করার ফাঁ’ক খোঁজে। সেই দেখা হওয়া কিন্তু একান্তে। অন্য কাউকে ডাকে না তখন। ৬. মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২টোর সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে।

৭. যেসব নারী ম’দ্যপানে আসক্ত তাদের থেকে দূরে থাকুন। কারণ, নে’শা এদেরকে সততাকে বিনষ্ট করে। সাথে চরিত্র ও কুমা’রিত্বও হারায়।

৮. অসৎ নারী নানা অছিলায় যৌ’নতাকে নিয়ে আসে আলোচনার মধ্যে। পুরুষকে যৌ’নভাবে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। সেই উত্তেজনার বশে পুরুষ যদি মাত্রাতিরিক্ত কিছু করেও ফেলে, বিপদ কিন্তু পুরুষেরই। এই নারী কিন্তু অবলীলায় দোষ চাপিয়ে দিতে পারে পুরুষের ঘাড়ে।

আমার হাতে কালি মুখে কালি, কাজী নজরুল ইসলাম, Amar Hate kali Mukhe kali | Nazrul Song

 আমার হাতে কালি মুখে কালি

আমার হাতে কালি মুখে কালি | কাজী নজরুল ইসলাম | Amar Hate kali Mukhe kali | Nazrul শ্যামা সংগীত



আমার হাতে কালি মুখে কালি,
মা আমার কালিমাখা মুখ দেখে মা পাড়ার লোকে হাসে খালি।।
মোরলেখাপড়া হ’ল না মা,
আমি ‘ম’ দেখিতেই দেখি শ্যামা,
আমি ‘ক’ দেখতেই কালী ব’লে নাচি দিয়ে করতালি।।
কালো আঁক দেখে মা ধারাপাতের ধারা নামে আঁখি পাতে,
আমারবর্ণ পরিচয় হ’লো না মা তোর বর্ণ বিনা কালী।
যা লিখিস মা বনের পাতায় সাগর জলে আকাশ খাতায়,
আমি সে লেখা তো পড়তে পারি মূর্খ বলে দিক্‌ না গালি মা,
লোকে মূর্খ ব’লে দিক্‌ না গালি।।


আমার হাতে কালি মুখে কালি, স্বরলিপি কাজী নজরুল ইসলাম কবিতা সমগ্র কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা আবৃত্তি বাংলাদেশ, কবিতা কাজী নজরুল ইসলাম নজরুলের বাংলাদেশ কবিতা কবিতা আবৃত্তি, কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত কবিতা, আনন্দময়ীর আগমনে কবিতার মূলভাব,আমার হাতে কালি মুখে কালি,amar hate kali mukhe kali,আমার হাতে,amar hate,কালি মুখে কালি,kali mukhe kali,shreya,nazrul song,channel i,bangla gaan,better song,music song,music video,popular song,music gaan,nazrul sangeet,video song,nazrul geeti,video gaan,nazruler gaan,desi song,bangla song,old song,bangla music,চ্যানেল আই,নজরুল সঙ্গীত,নজরুল গীতি,পুরাতন গান,জনপ্রিয় গান,ভিডিও গান,দেশীয় গান,মিউজিক গান,বাংলা গান,বাংলা বেস্ট গান,শ্রেয়া


Wednesday, July 14, 2021

১২ টি রাশির মধ্যে বিশেষ ৩ রাশির ব্যক্তিদের উপর সদা প্রসন্ন শনিদেব, জানুন


বাংলাহান্ট ডেস্কঃ শনিদেব (Shani Deb) সংসারে অশুভ বলে বিবেচিত। তবে এই কথা ভুল যে শনি দেব দুর্ভাগ্যের দেবতা। সনাতন হিন্দু ধর্মের একজন দেবতা হলেন শনিদেব। সূর্যদেব ও তার পত্নী ছায়াদেবীর পুত্র তিনি, এজন্য তাকে ‘ছায়াপুত্র’-ও বলা হয়। শনিদেব, মৃত্যু ও ন্যায় বিচারের দেবতা।

সর্বদা শুধুমাত্র শনিদেবের রাগী এবং কঠিন দিকটার বিষয়েই আলোচিত হয়। কিন্তু জানেন কি বিশেষ তিন রাশির জাতক জাতিকার উপর শনিদেবের আশির্বাদ সর্বদা বিরাজমান। বিভিন্ন রাশির মধ্যে মাত্র ৩ রাশির অধিপতি শনিদেব। জেনে নিন সেই তিন রাশি সম্পর্কে।

তুলা রাশি- বিশেষ তিন রাশির মধ্যে তুলা রাশি (Libra) হল শনিদেবের সব থেকে প্রিয়। এই রাশির জাতক-জাতিকারা মনের দিক থেকে খুব স্বচ্ছ হন। সেই কারণেই শনিদেবের আশির্বাদ সর্বদা এই রাশির জাতক জাতিকার উপর বিরাজ করে। এই রাশির জাতক জাতিকারা প্রতি শনিবার নিয়ম করে শনি চাল্লিশা পাঠ করলে, শনিদেবের সর্বদা স্নেহ ধন্য হয়ে থাকবেন।

মকর রাশি- মকর রাশির (Capricorn) মানুষেরা খুবই স্নেহপ্রবণ হওয়ার কারণে এরা সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকায় বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করে সততাকেই জীবনের মূলধন মনে করে, সৎ পথে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিলাসবহুল জিনিসের প্রতি এদের বেশি আগ্রহ থাকে। উচ্চাভিসালী হওয়ায় এই সকল মানুষ আয় করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে সমর্থ হন। কথা কম বললেও এই রাশির মানুষজনের কথা বলার ধরন বুদ্ধিদীপ্ত ও শাণিত হয়। এদের বন্ধুদের সংখ্যা কম থাকলেও, এয়ার ভ্রমণে আগ্রহী হন।

কুম্ভ রাশি- কুম্ভ রাশির (Aquarius) মানুষেরা বেশিরভাগ সময়ে একা থাকতে বেশি ভালোবাসেন। এই রাশির মানুষেরা অত্যন্ত ভাবুক ও ধর্মপরায়ণ হন। এই রাশি অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা সাধারণত ভালো স্বভাবের হলেও, গ্রহের ফেরে এরা নিষ্টুর প্রকৃতিরও হয়ে যান। তবে এই রাশির জাতকদের চাকরি থেকে ব্যবসার ভাগ্য অনেক ভালো থাকে। শনি দেব এই রাশির ব্যক্তিদের অধিকর্তা হওয়ার দরুণ,প্রথম জীবনে প্রচুর কষ্ট ভোগ করলেও, পরবর্তী জীবনে এরা প্রভূত সুখের অধিকারী হয়।

 

Monday, June 28, 2021

Mother Teresa Early Life মাদার টেরেসার জীবনী Mother Teresa Biography in Bengali



গরীব-আর্ত ও সর্বহারাদের সেবায় যিনি নিজেকে শেষ দিন পর্যন্ত নিয়োজিত করেছিলেন সেই অ্যাগনিস গঞ্জা বোজাঝিউকে সকলে স্বয়ং ঈশ্বরের দূত মনে করতেন | যাদের সমাজে কোনো স্থান ছিলোনা,তাদের সযত্নে নিজের কোলে আশ্রয় দিয়েছিলেন আলবেনিয়া থেকে ভারতে আসা এই মহিয়সী নারী |

Sunday, May 30, 2021

সালমানকে ‘নিকাহ” করতে ধর্ম নাম সবই ছেড়েছিল হিন্দু যুবতী, ৪ মাস পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

 

সালমানকে ‘নিকাহ” করতে ধর্ম নাম সবই ছেড়েছিল হিন্দু যুবতী, ৪ মাস পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

নয়া দিল্লীঃ তেলেঙ্গানার কমররেড্ডি জেলায় মুসলিম প্রেমিককে নিকাহ করার জন্য ইসলাম কবুল করা হিন্দু যুবতী আত্মহত্যা করেছে। কয়েকমাস আগেই তাঁর নিকাহ হয়েছিল মুসলিম বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে। নিউজ ১৮ তেলেগু অনুযায়ী, সালমান নামের মুসলিম যুবকের সঙ্গে বিয়ে করার জন্য শ্রবন্তী নামের হিন্দু যুবতী ধর্ম পালটে নিজের নাম শেখ সমীরা করে। এরপর গত ২৪ মে শেখ সমীরার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর ঘরেই।

যুবতীর পরিজনেরা গোটা ঘটনার পিছনে সালমান আর তাঁর পরিবারের হাত আছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। শ্রবন্তীর পরিজনেরা বলেন, সালমান আর তাঁর চাচা এবং চাচি তাঁদের মেয়ের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত আর তাঁদের গ্রেফতার করা উচিৎ। দেবুনিপল্লী পুলিশ মামলা দায়ের করেছে আর তদন্ত চালাচ্ছে।কমররেড্ডি জেলার ইন্দিরা নগরের বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী শ্রবন্তী ৭ জানুয়ারি ২০২১-এ সালমানের সঙ্গে নিকাহ করে। এই নিকাহর জন্য শ্রবন্তী নিজের ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম কবুল করে নিজের নাম শেখ সমীরা রাখে।

২৪ মে নিজের ঘরেই শ্রবন্তীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। শ্রবন্তীর দেহ দেখে তাঁর পরিজনেরা বলেন যে, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁদের অভিযোগ, সালমানরা তাঁদের মেয়েকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। শ্রবন্তীর পরিবার সালমানের পরিবারের বিরুদ্ধে শ্রবন্তীকে মানসিক আর শারীরিক দিক থেকে অত্যাচার করার জন্য করা শাস্তির আবেদন জানিয়েছে।

মুসলিম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু হলেন সুফিয়া বর্তমান নাম (অন্নপূর্ণা দেবী)

 

সুফিয়া গোপনে ৮/৯ বছর ধরে হিন্দু ধর্ম পালন করছিলেন। তারপর হিন্দু ধর্ম গ্রহনের পর সুফিয়া কাজী থেকে নিজের নাম রাখলেন দেবী অন্নপূর্ণা ।     পরিবার ওনার বিয়ে ঠিক করে। বিয়েটা তাদের ধর্মের ছেলের সাথে ঠিক করা হওয়ায় ওনি রাজি হননি। কারণ ওনি সুস্থ মস্তিষ্কে হিন্দুধর্ম বিশ্বাস করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে ৮/৯ বছর চুপিসারে হিন্দু ধর্মের কাজ করে আসছিলেন।  তারপর তার পরিবার কে বুঝিয়ে বলে সব প্রমান দেখান কোথায় কি সম্মান ধর্মিয় গন্হ দেখায় পরে তার পরিবার কে বলে- দরকার হলে মরে যাবো তবুও আমার ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করবো না।তাই ছুটে যেতে চায় দেবী সম্মানের  ভালোবাসার মানুষের কাছে আর হিন্দু ধর্ম বিশ্বাস রক্তে মিশে গেছে তা এ ধর্মের মত নারী সম্মান অন্য কোন ধর্মে নেই । তাই ওনি ভালোবাসার মানুষের সাথে মন্দিরে অগ্নি সাক্ষি করে ৭বার প্রদক্ষিন করে মাথায় সিদুর পড়ে হিন্দু রিতিতে বিয়ে করেন।  সুফিয়া ওরফে (অন্নপূর্ণা দেবী)তার বাবা মা সামনে থেকে নিজের মেয়েকে হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন।  তাদের জিগ্যাসা করা হয়ছে কেন আপনি নিজের মেয়েকে হিন্দুছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন?.  বলেন!  ১/আমার ধর্মে নারী হলো শ্যষ্যক্ষেত্র আর হিন্দু ধর্মে নারী হলো দেবী রুপে সম্মান করে।  ২/আমার ধর্মে যখন তখন তালাক এবং ৩ তালাকের মত কথা আছে। তাই কোন বাবা মা চান না তার মেয়ের সাথে       ৩তালাকের মত জগন্য কিছু গঠুক।  ৪/আমার ধর্মে ধর্মিয় প্রতিষ্ঠানে নারী প্রবেশ নিষেধ কিন্ত হিন্দু ধর্মে নারী পুরুষ এক সাথে মন্দিরে যায় প্রার্থনা করে।  ৫/প্রত্যেক বাবা মা চায় তার মেয়ে সুখে থাকুক ভালো থাকুক দেবী সম্মানে থাকুক তাই আমার মেয়েকে আমি হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছি।


মুসলিম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু হলেন সুফিয়া বর্তমান নাম (অন্নপূর্ণা দেবী)হিন্দু ছেলেকে ভালোবেসে এবং হিন্দু ধর্মকে ভালোবেসে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে দেবী সম্মানে হিন্দু ধর্ম গ্রহন করলেন।

সুফিয়া গোপনে ৮/৯ বছর ধরে হিন্দু ধর্ম পালন করছিলেন। তারপর হিন্দু ধর্ম গ্রহনের পর সুফিয়া কাজী থেকে নিজের নাম রাখলেন দেবী অন্নপূর্ণা ।

পরিবার ওনার বিয়ে ঠিক করে। বিয়েটা তাদের ধর্মের ছেলের সাথে ঠিক করা হওয়ায় ওনি রাজি হননি। কারণ ওনি সুস্থ মস্তিষ্কে হিন্দুধর্ম বিশ্বাস করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে ৮/৯ বছর চুপিসারে হিন্দু ধর্মের কাজ করে আসছিলেন।তারপর তার পরিবার কে বুঝিয়ে বলে সব প্রমান দেখান কোথায় কি সম্মান ধর্মিয় গন্হ দেখায় পরে তার পরিবার কে বলে- দরকার হলে মরে যাবো তবুও আমার ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করবো না।তাই ছুটে যেতে চায় দেবী সম্মানের

ভালোবাসার মানুষের কাছে আর হিন্দু ধর্ম বিশ্বাস রক্তে মিশে গেছে তা এ ধর্মের মত নারী সম্মান অন্য কোন ধর্মে নেই । তাই ওনি ভালোবাসার মানুষের সাথে মন্দিরে অগ্নি সাক্ষি করে ৭বার প্রদক্ষিন করে মাথায় সিদুর পড়ে হিন্দু রিতিতে বিয়ে করেন।

সুফিয়া ওরফে (অন্নপূর্ণা দেবী)তার বাবা মা সামনে থেকে নিজের মেয়েকে হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন।

তাদের জিগ্যাসা করা হয়ছে কেন আপনি নিজের মেয়েকে হিন্দুছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন?.

বলেন!

১/আমার ধর্মে নারী হলো শ্যষ্যক্ষেত্র আর হিন্দু ধর্মে নারী হলো দেবী রুপে সম্মান করে।

২/আমার ধর্মে যখন তখন তালাক এবং ৩ তালাকের মত কথা আছে। তাই কোন বাবা মা চান না তার মেয়ের সাথে       ৩তালাকের মত জগন্য কিছু গঠুক।

৪/আমার ধর্মে ধর্মিয় প্রতিষ্ঠানে নারী প্রবেশ নিষেধ কিন্ত হিন্দু ধর্মে নারী পুরুষ এক সাথে মন্দিরে যায় প্রার্থনা করে।

সুফিয়া গোপনে ৮/৯ বছর ধরে হিন্দু ধর্ম পালন করছিলেন। তারপর হিন্দু ধর্ম গ্রহনের পর সুফিয়া কাজী থেকে নিজের নাম রাখলেন দেবী অন্নপূর্ণা ।     পরিবার ওনার বিয়ে ঠিক করে। বিয়েটা তাদের ধর্মের ছেলের সাথে ঠিক করা হওয়ায় ওনি রাজি হননি। কারণ ওনি সুস্থ মস্তিষ্কে হিন্দুধর্ম বিশ্বাস করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে ৮/৯ বছর চুপিসারে হিন্দু ধর্মের কাজ করে আসছিলেন।  তারপর তার পরিবার কে বুঝিয়ে বলে সব প্রমান দেখান কোথায় কি সম্মান ধর্মিয় গন্হ দেখায় পরে তার পরিবার কে বলে- দরকার হলে মরে যাবো তবুও আমার ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করবো না।তাই ছুটে যেতে চায় দেবী সম্মানের  ভালোবাসার মানুষের কাছে আর হিন্দু ধর্ম বিশ্বাস রক্তে মিশে গেছে তা এ ধর্মের মত নারী সম্মান অন্য কোন ধর্মে নেই । তাই ওনি ভালোবাসার মানুষের সাথে মন্দিরে অগ্নি সাক্ষি করে ৭বার প্রদক্ষিন করে মাথায় সিদুর পড়ে হিন্দু রিতিতে বিয়ে করেন।  সুফিয়া ওরফে (অন্নপূর্ণা দেবী)তার বাবা মা সামনে থেকে নিজের মেয়েকে হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন।  তাদের জিগ্যাসা করা হয়ছে কেন আপনি নিজের মেয়েকে হিন্দুছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছেন?.  বলেন!  ১/আমার ধর্মে নারী হলো শ্যষ্যক্ষেত্র আর হিন্দু ধর্মে নারী হলো দেবী রুপে সম্মান করে।  ২/আমার ধর্মে যখন তখন তালাক এবং ৩ তালাকের মত কথা আছে। তাই কোন বাবা মা চান না তার মেয়ের সাথে       ৩তালাকের মত জগন্য কিছু গঠুক।  ৪/আমার ধর্মে ধর্মিয় প্রতিষ্ঠানে নারী প্রবেশ নিষেধ কিন্ত হিন্দু ধর্মে নারী পুরুষ এক সাথে মন্দিরে যায় প্রার্থনা করে।  ৫/প্রত্যেক বাবা মা চায় তার মেয়ে সুখে থাকুক ভালো থাকুক দেবী সম্মানে থাকুক তাই আমার মেয়েকে আমি হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছি।

৫/প্রত্যেক বাবা মা চায় তার মেয়ে সুখে থাকুক ভালো থাকুক দেবী সম্মানে থাকুক তাই আমার মেয়েকে আমি হিন্দু ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছি।

Tuesday, May 25, 2021

জীবনী Biography In Bangla part #Biographybanglarabindranath রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত বাণী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসাধারণ

 

Goutom buddho biography || গৌতম বুদ্ধের জীবনী || The Great Life Story of Goutom buddho #ChanakyabanglaBiography প্রাচীন ভারতীয় দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ চাণক্য এর জীবনী || Biography Of Chanakya In Bangla #বাণী #Rabindranath রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত বাণী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসাধারণ কিছু বাণী | Rabindranath bani বাংলার ইতিহাসে হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আবদান | Biography of harichand guruchad thakur #Biographybanglarabindranath #RabindranathTagorebani Life History of Rabindranath Tagore || বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী || Short Biography of Bangla Sheikh mujibur Rahman part-2 বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনী || Sheikh Hasina Biography In Bangla part #NarendraModibanglabiography চা বিক্রেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী || Narendra Modi biography | नरेंद्र मोदी की जीवनी part 1 Donald Trump biography in bangla || ডোনাল্ড ট্রাম্পের জীবনের বিস্ময়কর অজানা তথ্য ইতিহাস জেনে নিন বৌদ্ধ ধর্মগুরু দালাইলামার জীবন সংগ্রামের কাহিনী || Dalai Lama Biography Biography Of prime minister pakistan Imran Khan In Bangla || Biography Of Crickter Imran Khan Biography Hal Elrod | হ্যাল এল রড বাণী জীবনী | Miracle Morning 6 Morning Habits of Successful People

#sadhgurubanglabiography #SadhguruQuotes #SadhguruBangla Sadhguru Jaggi Vasudev অসাধারণ কিছু বাণী - বাণী চিরন্তনী | সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব

 #sadhgurubanglabiography #SadhguruQuotes #SadhguruBangla

Sadhguru Jaggi Vasudev অসাধারণ কিছু বাণী - বাণী চিরন্তনী | সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব

#সদগুরুজাগ্গিবাসুদেব #উক্তি #Quotes সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব || Sadhguru Jaggi Vasudev অমর বাণী 8 #বাণী #উক্তি #words সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব || Sadhguru Jaggi Vasudev এর 20 টি উক্তি 6 #SadhguruJaggiVasudev #MotivationalQuote #words সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব || Sadhguru Jaggi Vasudev কালজয়ী বাণী 4 #SadhguruQuotes #SadhguruBangla #সদগুরুজাগ্গিবাসুদেব সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব || Sadhguru Jaggi Vasudev উক্তি যা আপনার জীবন পরিবর্তন করে দিতে পারে #সদগুরুজাগ্গিবাসুদেব Sadhguru Jaggi Vasudev words that can change your life || Bangla Motivational Quote 2

Monday, May 24, 2021

সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব জীবনী , Biography of Sadhguru in Bangla জীবনী সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব

 


একজন ভারতীয় যোগী, অতীন্দ্রিযবাদী এবং লেখক। তিনি ইশা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এটি একটি অলাভজনক সংস্থা যা সারা বিশ্বে যোগ প্রোগ্রাম করে।এছাড়া এটি সামাজিক প্রচারশিক্ষা এবং পরিবেশগত উদ্যোগে জড়িত। তাঁর বই “স্বাস্থ্য”,”ধর্ম, আধ্যাত্মিকতা এবং বিশ্বাস”,এবং “পরামর্শ, কিভাবে-কী এবং বিবিধ” ইত্যাদি একাধিক বিভাগে নিউইয়র্ক টাইমস শ্রেষ্ঠ বিক্রেতা তালিকাতে ছিল। তিনি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম, অস্ট্রেলিয়ান লিডারশিপ রিট্রিট, ভারতীয় অর্থনৈতিক সামিট এবং টেড এ একজন প্রধান স্পিকার হয়েছেন। তিনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, ইয়েল ইউনিভার্সিটি, হোয়ার্টন ইউনিভার্সিটি, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স এবং ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতেও বক্তৃতা করেছেন। তিনি গুগল এ ও স্পিকার ছিলেন। আধ্যাত্মিকতার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৭ সালে ভারত সরকার পদ্মবিভূষণ বেসামরিক পুরস্কার প্রদান করে। সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব জীবনী , 
ব্যক্তিগত জীবন নিগূঢ় অধ্যাত্মভাবনায় দাম্পত্য সঙ্গী বিজয় কুমারী (বিজ্জী‌)  কন্যা সন্তান আছে । তার বাবা ভারতীয় রেলওয়ের একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ ছিল ।যার জন্য পরিবারকে ঘন ঘন জায়গা বদলাতে হত। ১০ বছর বয়সে তিনি মল্লাদিহাল্লি শ্রী রাঘভেন্দ্র স্বামীজিগের সাথে যোগাযোগ করেন। যিনি তাকে সাধারণ যোগব্যায়াম আসনের একটি আনুষঙ্গিক অংশ শিখিয়েছিলেন, যা তিনি নিয়মিতভাবে পালন করেছিলেন। তিনি বলেন যে “একদিনের বিরতি ব্যতিরেকে ,এই সহজ যোগব্যায়াম যা আমাকে শেখানো হয়েছিল এবং যার ফলে পরে গভীর অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। ১৯৭৩ সালে ডেমনোসট্রেশন স্কুল অ্যান্ড মহাজন প্রাক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, মহীশূর এ পড়েন। তার স্কুলের পর তিনি স্নাতক মহীশূর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রী পান। কলেজের বছরগুলিতে তিনি ভ্রমণ এবং মোটরসাইকেলে আগ্রহী ছিলেন। 

আধ্যাত্মিক জীবন ১৯৮২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরতিনি চামুণ্ড‌ী পাহাড়ে উঠেন এবং একটি শিলাতে বসেছিলেন, যেখানে তিনি আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন। তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা নিম্নরূপ: আমার জীবনের সেই মুহুর্ত পর্যন্ত আমি সবসময় নিজের কথা,অন্যের কথা ও অন্য কিছুর ব্যাপারে ভাবতাম । কিন্তু তখন প্রথমবারের মতো আমি জানতাম না যে কোনটা আমি আর কোনটা নই। হঠাৎ আমি সব জায়গায় নিজেকে অনুভব করলাম। যে শিলায় আমি বসে ছিলাম,যে বাতাসে আমি শ্বাস নিচ্ছিলাম, আমার চারপাশে বায়ুমণ্ডল সবকিছুতেই আমি ছড়িয়ে পড়েছিলাম । যা হয়ত কৌতুক বা পাগলামির মত শোনাচ্ছে। আমার মনে হয় এটি দশ থেকে পনের মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, কিন্তু যখন আমার স্বাভাবিক চেতনা ফিরে আসে তখন প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা আমি সেখানে বসে ছিলাম। সম্পূর্ণ সচেতন ছিলাম, চোখ খোলা ছিল। কিন্তু কিছু সময় পর সব ঠিক হয়ে গেল। এই অভিজ্ঞতার ছয় সপ্তাহ পরে, তিনি তার বন্ধুর কাছে তার ব্যবসা ছেড়ে চলে যান এবং তার রহস্যময় অভিজ্ঞতার অন্তর্দৃষ্টি অর্জনের প্রচেষ্টায় ব্যাপকভাবে ভ্রমণ করেন। প্রায় এক বছর ধ্যান ও ভ্রমণের পর তিনি যোগব্যায়ামে তার অভ্যন্তরীণ অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৮৩ সালে তিনি মহীশূরে সাতজন অংশগ্রহণকারী নিয়ে প্রথম যোগব্যায়াম ক্লাস পরিচালনা করেন।তিনি ইশা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন।যা একটি অধর্মীয়, অলাভজনক সংস্থা রূপে স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা চালিত। ১৯৯৬ সালে আশ্রম প্রতিষ্ঠার পর ভারতীয় হকি দলের জন্য তিনি কোর্সসহ ইশা যোগ কেন্দ্রে নিয়মিত যোগব্যায়াম প্রোগ্রাম পরিচালনা শুরু করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্লাস পরিচালনা শুরু করেন । ২০০১ সালে তিনি তামিলনাড়ু কারাগারে জীবনকালের বন্দীদের জন্য যোগব্যায়াম ক্লাস পরিচালনা শুরু করেন। ২০১১ সাল থেকে তিনি একবারে ১০,০০০ এবং ১৫,০০০ জন অংশগ্রহণকারীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৃহৎ পরিসরে অংশগ্রহণের অনুষ্ঠান পরিচালনা শুরু করেন। ইশা শব্দটির অর্থ “নিরাকার অমরাত্মা “। ইশা যোগের প্রধান প্রোগ্রাম ‘ইননার ইঞ্জিনিয়ারিং’, যা কিছু সহজ যোগব্যায়াম অনুশীলন এবং সম্ভাবি মহামুদ্রার সাথে পরিচিত করে। ২০০৫ সালের মার্চে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি, ম্যাকমিনভিলিতে ইশা ইনস্টিটিউট অফ ইননার-সায়েন্সেস (তৃতীয়) নির্মাণ শুরু হয় ।যা ৬ মাস পরে সম্পন্ন হয়। ২০১৩ সালের ২৩ জুন তিনি ইশা কেন্দ্রের “ধর্মের সার্বজনীনতার উপর আন্তঃধর্মীয় আলোচনা” শিরোনামের একটি বহু ধর্মীয় অধিবেশন পরিচালনা করেন। এতে বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং ধ্যানলিঙ্গের ১৪ তম বার্ষিকী উদযাপনের জন্য ও সবাই মিলিত হন।


Sunday, May 23, 2021

সারা চৌধুরী (টাটা) একক সঙ্গীত অনুষ্ঠান এবং নাচের অনুষ্ঠান

খুদেশিল্পী সারা চৌধুরীর গানগুলো শুনতে হলে সরাসরি তার  ইউটিউব চ্যানেলে এবং ফেসবুক টাটা চৌধুরী পেইজে সরাসরি চলে যান তাহলে দেখতে পারবেন তার গানগুলো। সারা চৌধুরী ছোটবেলা থেকেই নাচ এবং গানের প্রতি অনুরক্ত সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচ এবং গান করে থাকে। গোপালগঞ্জ যে কোন অনুষ্ঠানে নাচ এবং গান প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় মধ্যে থাকে। সে গোপালগঞ্জ যেকোন অনুষ্ঠানমালা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ এবং জাতীয় পর্যায়ে যে কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানমালা সাফল্যমন্ডিত হয়ে ওঠে। গ্রামের বাড়ি ,গ্রাম খাগবাড়ী, পোস্ট রামশিল উপজেলা কোটালীপাড়া জেলা গোপালগঞ্জ। সে এস এম মডেল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে এখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ছে বীণাপাণি গার্লস হাই স্কুলে।তার গান এবং নাচ যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবেন পেজটি লাইক করবেন। তার লাইকি টিক টক আইডি আছে ঘুরে আসতে পারেন সেখান থেকে। ধন্যবাদ সবাইকে। #100তমজন্মবার্ষিকী #bangabundu ১৭ই মার্চ ২০১৯ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন আজি বাংলা আজ একটি বার প্রান খুলে বলতে চাই || এখন তো সময় aj ekti bar pran khule balte chai

সারা চৌধুরী (টাটা) একক সঙ্গীত অনুষ্ঠান এবং নাচের অনুষ্ঠান

 খুদেশিল্পী সারা চৌধুরীর গানগুলো শুনতে হলে সরাসরি তার  ইউটিউব চ্যানেলে এবং ফেসবুক টাটা চৌধুরী পেইজে সরাসরি চলে যান তাহলে দেখতে পারবেন তার গানগুলো। সারা চৌধুরী ছোটবেলা থেকেই নাচ এবং গানের প্রতি অনুরক্ত সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচ এবং গান করে থাকে। গোপালগঞ্জ যে কোন অনুষ্ঠানে নাচ এবং গান প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় মধ্যে থাকে। সে গোপালগঞ্জ যেকোন অনুষ্ঠানমালা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ এবং জাতীয় পর্যায়ে যে কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানমালা সাফল্যমন্ডিত হয়ে ওঠে। গ্রামের বাড়ি ,গ্রাম খাগবাড়ী, পোস্ট রামশিল উপজেলা কোটালীপাড়া জেলা গোপালগঞ্জ। সে এস এম মডেল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে এখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ছে বীণাপাণি গার্লস হাই স্কুলে।তার গান এবং নাচ যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবেন পেজটি লাইক করবেন। তার লাইকি টিক টক আইডি আছে ঘুরে আসতে পারেন সেখান থেকে। ধন্যবাদ সবাইকে।

#ওধান #ঢেঁকিতে #DhanBhanire ও ধান ভানিরে ঢেঁকিতে পাড় দিয়া O Dhan Bhanire, dhakete par diya সুন্দরী কমলা Valo Koira Bajao Go Dotara sundori kamola nacha tupur এই আমাদের দেশ সোনার বাংলাদেশ বাংলামায়ের ai amader desh sonar bangla desh আজকে ছোট কালকে মোরা বড় হব ঠিক Ajke soto kalke mora baro hobo thik আয় তবে সহচরী হাতে হাতে ধরি ধরি ay tobe sahochari hate hate dhari dhari মেঘের কোলে রোদ হেসেছে | Rabindra Sangeet|| Mager kole rod heshece CHAMKE CHAMKE DHIR BHIRU PAAY|| চমকে চমকে ভীরু ভীরু পায়ে #shajo #সাজোসুন্দরী #Konna SAJO SUNDORI KOINYA|| সাজো সুন্দরী কৈন্যা #shajo #সাজোসুন্দরী #Konna SAJO SUNDORI KOINYA|| সাজো সুন্দরী কৈন্যা || Bengali folk dance #Classical #ভরতনাট্যমশাস্ত্রীয় #Bharatanatyam ভরতনাট্যম শাস্ত্রীয় নৃত্যের | Bharatanatyam Dance || Best of Indian Classical Dance #ওধান #ঢেঁকিতে #DhanBhanire ও ধান ভানিরে ঢেঁকিতে পাড় দিয়া || O Dhan Bhanire, dhakete par diya karaoke songs Baje bongshi Raj hangshi nache helia dulia ||বাজে বংশী রাজহংসী নাচে দুলিয়া দুলিয়া আমি মারের সাগর পাড়ি দেব || Aami marer sagar pari debo ♫ || shara chowdhury dance

সারা চৌধুরী (টাটা) একক সঙ্গীত অনুষ্ঠান এবং নাচের অনুষ্ঠান

 খুদেশিল্পী সারা চৌধুরীর গানগুলো শুনতে হলে সরাসরি তার  ইউটিউব চ্যানেলে এবং ফেসবুক টাটা চৌধুরী পেইজে সরাসরি চলে যান তাহলে দেখতে পারবেন তার গানগুলো। সারা চৌধুরী ছোটবেলা থেকেই নাচ এবং গানের প্রতি অনুরক্ত সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচ এবং গান করে থাকে। গোপালগঞ্জ যে কোন অনুষ্ঠানে নাচ এবং গান প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় মধ্যে থাকে। সে গোপালগঞ্জ যেকোন অনুষ্ঠানমালা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ এবং জাতীয় পর্যায়ে যে কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানমালা সাফল্যমন্ডিত হয়ে ওঠে। গ্রামের বাড়ি ,গ্রাম খাগবাড়ী, পোস্ট রামশিল উপজেলা কোটালীপাড়া জেলা গোপালগঞ্জ। সে এস এম মডেল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে এখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ছে বীণাপাণি গার্লস হাই স্কুলে।তার গান এবং নাচ যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবেন পেজটি লাইক করবেন। তার লাইকি টিক টক আইডি আছে ঘুরে আসতে পারেন সেখান থেকে। ধন্যবাদ সবাইকে।

#মোমেরপুতুল মমীর দেশের মেয়ে নেচে যায়


❤CHAMKE CHAMKE DHIR BHIRU PAY || চমকে চমকে ভীরু ভীরু পায়ে

Sunday, May 9, 2021

যেসব অভ্যাসে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

 করোনাকালে অনেকেই আতঙ্কের মধ্যে সময় পার করছেন। এর থেকে সৃষ্টি মানসিক চাপ শরীরের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। চিকিৎসকরা জানান মানসিক চাপ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়। ক্যান্সার ও হার্টের সমস্যা অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও মানসিক চাপ থেকে সৃষ্টি হয়।

প্রতিদিনের অনিয়মিত জীবনযাত্রার প্রভাবে শরীরের এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে শুরু করে। বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াকে ঠেকানোর জন্য ইমিউন সিস্টেম বুস্ট করতে হয়। চিকিৎসকদের মতে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া উচিত। বিভিন্ন ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে নির্গত হয়। ডিটক্স ওয়াটার পান করার মাধ্যমেও শরীরের বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ দূর করা যায়। অপর্যাপ্ত পানির পানের জন্য শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কমতে শুরু করে।

এছাড়াও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। অনেকেই সারারাত জেগে থাকেন আর ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘুমান। দিনের ঘুম কখনো গভীর হয় না। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে একটানা ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুমের উপকারিতা অনেক। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ ব্যায়াম ইমিউন সিস্টেম বুস্ট করে।
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকা
রক হওয়া সত্ত্বেও ধূমপানে আসক্ত হন অনেকে। মহামারির শুরু থেকেই চিকিৎসকরা ধূমপানকে এড়িয়ে চলতে বলছেন। ধূমপানের ফলে হার্ট ও ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সাথে সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমতে থাকে।

Saturday, May 1, 2021

“অর্থই অনর্থের মূল” দুলাল চৌধুরী :প্রধান শিক্ষক ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয় ও যুগ্ম আহ্বায়ক কেন্দ্রীয় কমিটি

 


সম্প্রতি একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে ফেইসবুক গরম পক্ষে বিপক্ষে নানা জন নানান মত প্রকাশ করছেন মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যখন যে যেটা বলেছেন তখন আমার কাছে সেটাই গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে আমার অবচেতন মনে সেটাই সমর্থন দিয়েছে তবে পরে বিচার বিশ্লেষণ করে দেখলাম প্রত্যকের বক্তব্য বিবৃতি তার পূর্বের পক্ষ-বিপক্ষ, বিশ্বাস- অবিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল ছিল তবে কেউ একপক্ষকে সমর্থন করে কথা বলেন নিকোন একপক্ষকে সামান্য সমর্থন দিয়ে অন্য পক্ষকে ঢালাউভাবে প্রাকারান্তে সমর্থন দিয়েছেনতবে প্রত্যেকের পক্ষেই কমবেশি যুক্তি আছে যুক্তিহীন কার বক্তব্যই নয়সবকিছুর মূলে অর্থদ্বাদশ শ্রেণি পড়ুয়া সুর্দশনা মেয়ে চল্লিশ উর্ধব বয়সের ছেলের সাথে প্রেমে পড়েছে সেটা নিছক লাইলী মজনু,চন্ডী দাস রজকিনীর প্রেমের মত এরকমটি নয়এর পিছনে রয়েছে অর্থঅনেকে বলেছেন আবেগী বয়স এতকিছু বুঝতে পারেনি অনেক কিছু বুঝতে পারেনি ঠিকই কিন্ত অর্থ ঠিকই বুঝেছেন কেউ একদিন আমাকে বলেছিলেন কেউ পাগল কী? পাগল না তা চেনার উপায় তার কাছে টাকা দাও সে যদি টাকা চিনে তবে বুঝবে পাগল নয় এমেয়ে টাকা চিনে তাই সে আবেগী হতে পারে কিন্তু পাগল নয়যদি ধরেও নেই যে প্রেম স্থান, কাল, পাত্র, ধনী গরীব বিচার করে হয়নাএত বয়সের পার্থক্যে প্রেমের রের্কড অতীত কখনো দেখা যায় নাইমেয়েটির বাবা নেই তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন ধরে নেওয়া যায় সে পারিবারিক ভাবে ভালো শিক্ষা পেয়েছেন বাবা জীবিত থাকলে হয়তো তিনি তার মেয়েকে বুঝিয়ে শুনিয়ে তাকে এপথ থেকে ফিরিয়ে আনতে পারতেন সেটা করার মতো নিকটজন কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না যদিও তার বোন তার মৃত্যুর পরে মামলা করেছেনএর মধ্যে বোন তো শেষ বিচার যাই হোক বোনকে তো আর পাওয়া যাবে নাবাবা মারা গেছেন বড় ভাই জীবিত আছেন তথ্য মতে মেয়েটির আপন ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক ভালো নেইভাই বোনের মধ্যে সম্পর্কে অবনতি এর পিছনেও অর্থকরোনা সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে সকল শিক্ষার্থী ঢাকা ছেড়ে যার যার অভিভাবকদের সাথে থাকছেন তখন এই মেয়েটা কেন ঢাকায় থাকলেন? কারণ তো অবশ্যই আছেএখানে যতই না অন্য কারণ দেখান হউক, তবে অর্থকে বাদ দেওয়া যাবেনাএবার আসি বসুন্ধরার এম.ডি সাহেবের বিষয়ে, তিনি পারিবারিক ভাবে শিক্ষা পেয়েছেন সবকিছুকে অর্থের দন্ডে পরিমাপ করতেতিনি অর্থ বিত্তের মধ্যেই বড় হয়েছেনঅবৈধ অর্থ কিভাবে উপার্জন করতে হয় কি ভাবে অর্থ দিয়ে মানুষের মনুষ্যত্ব বাজারের পন্যে রূপান্তর করা যায়?কীভাবে মানুষের বিবেক বোধকে অর্থ দিয়ে ভূলুণ্ঠিত করা যায়? এটার জন্য তাকে কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করতে হয় নিএটা তিনি তার পরিবার থেকে শিক্ষা পেয়েছেনতিনি কাছ থেকে দেখেছেন, কিভাবে মানুষকে ঠকাতে হয়নৈতিক শিক্ষা তারা পায়নিতারা মানুষের সততা বলতে বুঝেখারাপ হওয়ার সুযোগের অভাব এভাবেই তারা বড় হয়েছে তাই সে রকম অপরাধ করার সাহস পেয়েছে অর্থের দম্ভে তারা অপরাধ করেছেন অনায়াসে, পার পেয়েছেন কোন প্রকার বিচারের মুখোমুখি না হয়েইতাই তারা অন্যায় করে অনুতপ্ত না হয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন

কলেজ পড়ুয়া মেয়ে একটা অপরিচিত জায়গায় কার সাথে থাকেন, খোঁজটুকু তারা রাখেন নাএটা মানতে পারা যায়নাএটা না জানার পিছনেও অর্থজানতে গেলে তার মাসিক খরচের বিষয়ে দায় নিতে হবে।। ভাই বা বোন কেউ সে দায়িত্ব নিতে রাজি হয়নিআজকাল বিষয় অনেকই মাথা ঘামান নাযখন বড় একটা কিছু ঘটে যায় তখন সবাই আমরা হইচই শুরু করে দেই

দেখুন একলক্ষ টাকা মাসিক ভাড়ায় একটি ফ্লাট দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া একটি মেয়েকে ভাড়া দিলেনতিনি তার সম্পর্কে কিছু খোঁজ খবর নিলেননা অন্তত মাসিক ভাড়া সে কীভাবে পরিশোধ করবে সে বিষয়টি তিনি জানেন নিএটা আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নিতিনি অবশ্যই জানেন কে বা কারা তার ভাড়া পরিশোধ করবে কে কে থাকবেন, বিষয়ও বাড়িওয়ালা জানতে চান নিএটাও বিশ্বাস করার মত নয়এখানেও রয়েছে অর্থ কারণ করোনার মধ্যে বাড়িওয়ালার প্রয়োজন ছিল ভাড়াটিয়া এবং ভাড়া তাই কে থাকছেন? কী হচ্ছে সেখানে? সে বিষয় নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথা ছিল না স্বাভাবিকভাবে কোন বাসায় নতুন ভাড়াটিয়া আসলে তার সম্পর্কে স্থানীয় থানায় তার তথ্য দিতে হবে কিন্তু বাড়িওয়ালা কী এর কিছু করেছেন? আর না করার পিছনেও অর্থ

এত বড় একটি ঘটনা ঘটে গেল, কোন কোন সংবাদ মাধ্যম নিরব রইলেন তাদের দায়ী করা হল সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য বেরিয়ে এল থলের বিড়াল সাংবাদিক ভাইয়েরাও স্বাধীন নয়ইচ্ছে করলেই তারা সকল সংবাদ প্রকাশ করতে পারেন না মালিক পক্ষের অনুমতি ছাড়া কোন সংবাদ প্রকাশ করা যায় নাচাকুরী হারানোর ভয় থাকে চাকুরী হারালে পরিবার পরিজন নিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেনতাই অনেক কিছুই তারা স্বাধীন ভাবে করতে পারেন নাএর পিছনে রয়েছে অর্থ তাই বলা হয় অর্থ অনর্থের মূল তবে অর্থ ছাড়া আমরা তো কোন কাজই করতে পারি না তাই বৈধভাবে উপার্জিত অর্থে অনর্থ সৃষ্টি করতে পারে নাআর অবৈধ ভাবে উপার্জিত অর্থ মানুষকে অন্যায় করতে প্রলুব্ধ করে তবে সকল অর্থই অনর্থের সৃষ্টি করে না

বাণী চিরন্তণী Motivational quotes

Popular Posts

Hindu international Consciousness

ad

Featured Post

পবিত্র বেদ পাঠ,পবিত্র বেদ পাঠ বিভাগ – ॐ সনাতন ধর্মতত্ত্ব পবিত্র বেদের উৎপত্তি ও ইতিহাস

বেদ মাতার ইচ্ছায় বাংলা ভাষায় ঋগ্বেদের মূলমন্ত্র অর্থ ও টীকাসহ প্রকাশের চেষ্টা করা হয়েছে। ধীরে ধীরে এর কলেবর বৃদ্ধি করার চেষ্টা চলতে থাক...